স্পোর্টস ডেস্ক, ১৬ নভেম্বর।।
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ। তাতে ৩ বল বাকি থাকতে জয় পেলো ত্রিপুরা। দুর্লভ রায়ের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে। অবশেষে আসরের চতুর্থ ম্যাচে এসে জয়ের স্বাদ পেলো ত্রিপুরা। অনূর্ধ্ব ২৩ এক দিবসীয় ক্রিকেটে। জয়পুরের ড: সোনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ত্রিপুরা জয়লাভ করে ৩ উইকেটে। হায়দরাবাদের গড়া ২১৫ রানের জবাবে ত্রিপুরা ৩ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। দুর্লভ ঝড়ো ব্যাট করে ৫২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ত্রিপুরার বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় হায়দ্রাবাদ। মিডল অর্ডারে প্রণব বর্মা যদি কড়া প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারতেন তাহলে হায়দ্রাবাদের ইনিংস সম্ভবত ১৫০ রানের মধ্যে গুটিয়ে যেতো। হায়দ্রাবাদ শেষ পর্যন্ত ২১৫ রান করে। দলের পক্ষে প্রণব বর্মা ৫০ বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৩, এন নীতিন সাঁই যাদব ৪১ বল খেলে ছয়টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি সাহায্যে ৪১, সার্থক ভরদ্বাজ ৫৪ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৪, আণভিত রেড্ডি ৪৭ বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি সাহায্যে ৩১ এবং আরাভেল্লী আভানিশ ৩৫ বল খেলে একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ রান করেন। ত্রিপুরার পক্ষে অর্কজিৎ রায় ৩৮ রানে তিনটি, দিপেন বিশ্বাস ২১ রানে এবং সৌরভ কর ৫৮ রানে দুটি করে উইকেট দখল করেন। জবাবে খেলতে নেমে শুরু থেকেই অত্যাধিক ধীরগতিতে ব্যাট করতে থাকেন ত্রিপুরার ব্যাটসম্যানরা। শেষ পর্যন্ত তিন বল বাকি থাকতে ত্রিপুরা আসরের চতুর্থ ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেলো। রাজ্য দলের পক্ষে ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২২ গজে রীতিমতো ঝড় তুলেন দুর্লভ। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বল খেলে তিনটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫২ রানে অপরাজিত থেকে যান দিনের নায়ক দুর্লভ। এ ছাড়া রাজ্য দলের পক্ষে তন্ময় দাস ১১৪ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৮, সপ্টজিৎ দাস ৪০ বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারি সাহায্যে ৪১, আনন্দ ভৌমিক ৪৬ বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২৮ এবং সাহিল সুলতান ৩২ বল খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৭ রান করেন। হায়দ্রাবাদের পক্ষে দীনেশ রাঠোর ৪৮ রানের চারটি উইকেট দখল করেন। ১৭ নভেম্বর ত্রিপুরা ষষ্ঠ ম্যাচ খেলবে কর্নাটকের বিরুদ্ধে।

