বুধবার প্রদ্যুৎ কিশোর উদয়পুর কিল্লাতে জনসভা করেন। এই জনসভায় তিনি পূর্বের মতো “কুমীরের কান্না” করেন। প্রদ্যুৎ তাঁর পূর্বের উত্থাপিত সমস্ত দাবিকে আড়ালে ঠেলে সামনে নিয়ে আসেন নতুন তত্ত্ব ” আগরতলার মালিক কে?”। জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রদ্যুৎ কিশোর বলেন, ” আসন্ন এডিসি নির্বাচনে একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। অন্যদিকে আমি, আপনাদের বুবাগ্রা”।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১২ মার্চ।।
            “গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ড”, “সাংবিধানিক সমাধান”- র কল্প কাহিনী এখন তিপ্রামথার সর্বময় কর্তা প্রদ্যুৎ কিশোরের গলায় শুনা যায় না। অতীতের প্রদ্যুতের এই সমস্ত বক্তব্য এখন বিশবাও জলে। কারন রাজনীতির বাজারে প্রদ্যুৎ কিশোরের গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ড, সাংবিধানিক সমাধান- র কল্প কাহিনীর টিআরপি শূন্যের কোটায়। চতুর রাজনীতিক প্রদ্যুৎ এটা বিলক্ষণ আঁচ করতে পেরেছেন। এবং তাই আসন্ন এডিসি নির্বাচনে প্রদ্যুৎ কিশোরের এজেন্ডা ” আগরতলার মালিক”।

” আসন্ন এডিসি নির্বাচনে একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। অন্যদিকে আমি, আপনাদের বুবাগ্রা”।

বুধবার প্রদ্যুৎ কিশোর উদয়পুর কিল্লাতে জনসভা করেন। এই জনসভায় তিনি পূর্বের মতো “কুমীরের কান্না” করেন। প্রদ্যুৎ তাঁর পূর্বের উত্থাপিত সমস্ত দাবিকে আড়ালে ঠেলে সামনে নিয়ে আসেন নতুন তত্ত্ব ” আগরতলার মালিক কে?”। জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রদ্যুৎ কিশোর বলেন, ” আসন্ন এডিসি নির্বাচনে একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। অন্যদিকে আমি, আপনাদের বুবাগ্রা”।

।প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন।

প্রদ্যুৎ কিশোর মুখে মুখ্যমন্ত্রীর নাম উচ্চারণ না করে বলেছেন, ” তিনি বলেছিলেন আগরতলার মালিক সবাই। কিন্তু না, আগরতলার মালিক তিপ্রাসা। আগরতলা সহ গোটা রাজ্যের মালিক জনজাতিরা।
         রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা সম্প্রতি বলেছিলেন, এডিসি এলাকায় রাজ্যের জাতি – জনজাতি সবার সমান অধিকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে প্রদ্যুৎ বলেছেন, ” রাজ্যের টিটিএএডিসি শুধু ট্রাইবেলদের জন্য। এখানে অন্যদের কোনো জায়গা নেই।”


            

” তিপ্রাসারা একত্রিত না থাকলে তারা ( পড়ুন বিজেপি সরকার) বিশ্রামগঞ্জ, কিল্লা, খুমুলুঙ’কে নগর পঞ্চায়েত করে নেবে।

প্রদ্যুৎ কিশোর কৌশলে জনজাতিদের উস্কে দিয়ে বলেন, ” তিপ্রাসারা একত্রিত না থাকলে তারা ( পড়ুন বিজেপি সরকার) বিশ্রামগঞ্জ, কিল্লা, খুমুলুঙ’কে নগর পঞ্চায়েত করে নেবে। তখন তিপ্রাসারা আর থাকতে পারবে না এডিসি এলাকায়।

তিপ্রাসা ছাত্র – ছাত্রীদের উত্তেজিত করতে প্রদ্যুৎ সামনে নিয়ে আসেন এক ভুয়ো তথ্য। তিনি বলেন, ” রাজ্যের অউপজাতি ছাত্র – ছাত্রীদের ল্যাপটপ, সাইকেল দেওয়া হয়। কিন্তু জনজাতি ছাত্র – ছাত্রীদের দেওয়া হয় নি। তাদেরকে অশিক্ষিত ও গরীব রাখার জন্য যা যা করা দরকার, তাই করছে।

কিল্লা জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন প্রদ্যুৎ কিশোর।

প্রদ্যুৎ বলেন, এবারের এডিসি নির্বাচনে তিপ্রামথা জয়ী হলে ২৮ – বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বসবেন একজন জনজাতি।

প্রদ্যুৎ বলেন, এবারের এডিসি নির্বাচনে তিপ্রামথা জয়ী হলে ২৮ – বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বসবেন একজন জনজাতি। প্রদ্যুৎ গোটা জনসভায় আগাগোড়া আগরতলার মালিক কে? এই প্রশ্ন উত্থাপিত করেন। এবং কৌশলে উত্তেজিত করেন সভায় উপস্থিত জনজাতিদের। প্রদ্যুৎ কিশোরের আগরতলা মালিক কে? এই বক্তব্যের ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে জোর আলোচনা – সমালোচনা। প্রদ্যুৎ কিশোরের কার্টুন পোস্ট করছেন নেটিজেনরা। “জনতার মশাল”- র এই প্রতিবেদনের সঙ্গে এরকমই একটি ছবি সেটে দেওয়া হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *