পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ঘিরে নিয়েছে প্রতিটি বুথকেন্দ্র। প্রত্যেক বুথ কেন্দ্রেই ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোথায় মাছি গলার জায়গা নেই। ভোটারদের জন্য আছে হেল্প ডেস্ক।এডিসির ২৮টি আসনকেই ঢাকা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। সম্প্রতি রাজ্য পুলিশের ডিজিপি অনুরাগ জানিয়েছেন, ” ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করবে না পুলিশ প্রশাসন। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দান করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্টার , ১১ এপ্রিল ।।     
           কার দখলে পাহাড়?  এই প্রশ্নের উত্তর জানতে রবিবার সকাল থেকেই গণ দেবতারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে ১৭ এপ্রিল। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন তাদের প্রস্তুতি শেষ করে নিয়েছে। ভোট কর্মীরা চলে গেছেন তাদের নিজ নিজ বুথ কেন্দ্রে। গোটা রাজ্য জুড়ে অটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে পুলিশ প্রশাসন।


পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ঘিরে নিয়েছে প্রতিটি বুথকেন্দ্র। প্রত্যেক বুথ কেন্দ্রেই ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোথায় মাছি গলার জায়গা নেই। ভোটারদের জন্য আছে হেল্প ডেস্ক।এডিসির ২৮টি আসনকেই ঢাকা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। সম্প্রতি রাজ্য পুলিশের ডিজিপি অনুরাগ জানিয়েছেন, ” ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করবে না পুলিশ প্রশাসন। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দান করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


এবারের পাহাড় নির্বাচনে বহু মুখী লড়াই হলেও মূল যুদ্ধ বিজেপি – মথার মধ্যে। একদিনে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা অন্য দিকে প্রদ্যুৎ কিশোর। উভয়ের কাছে পাহাড় যুদ্ধ রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ন।

।।বিজ্ঞাপন।।

নির্বাচন শান্তি পূর্ন ভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রেই চলছে পুলিশি টহল। এখন পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র করে কোনো অপ্রিতিকর ঘটনার খবর নেই। তবে টাকারজলা, জম্পুই জলাতে পরিস্থিতি টগবগ করছে। যদিও পুলিশ প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি আছে নিয়ন্ত্রণেই। সব মিলিয়ে পাহাড়ের মানুষ মুখিয়ে আছে ভোরের আলো ফুটার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য। তারাই ভাগ্য নির্ধারণ করবে ২৮ জন প্রার্থীর।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *