কাঁঠালতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাসের মেয়ে মনীষা বাড়ির কাছেই মধুবন কাঁঠালতলি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে স্কুল জীবনের পড়াশুনা শেষ করে। এরপর বীর বিক্রম মেমোরিয়াম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে। বাবা বিশ্বজিৎ দাস পেশায় একজন অটো চালক। কিছুদিন হলো আশা কর্মীর কাজ পেয়েছেন তার মা, ছোট ভাই বহি: রাজ্যে বেসরকারি একটি কোম্পানিতে কর্মরত। ঝুট – ঝামেলাবিহীন হাসিখুশি একটি পরিবার ছিলো মনীষাদের।
ডেস্ক রিপোর্টার , ১২ জুন ।।
গত দুদিন ধরে রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমগুলিতে ফ্রন্ট লাইনে জায়গা করে নিয়েছে এক ২২ বছরের তরুণী। বুধবার রাতে যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল আমতলী থানার রানীখামারস্থিত শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের গার্লস হোস্টেল থেকে । তরুণীর পরিবারের লোকজনের দাবি, মেয়েটিকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।যদিও পুলিশ এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট করে কিছুই বলেনি।রহস্যময় এই মৃত্যুর তদন্ত করছে আমতলী থানার পুলিশ।
নাম: মনীষা দাস
পিতা: বিশ্বজিৎ দাস।
বাড়ি: কাঁঠালতলী
থানা: আমতলী
শিক্ষাগত যোগ্যতা:স্নাতক
কাঁঠালতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাসের মেয়ে মনীষা বাড়ির কাছেই মধুবন কাঁঠালতলি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে স্কুল জীবনের পড়াশুনা শেষ করে। এরপর বীর বিক্রম মেমোরিয়াম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে। বাবা বিশ্বজিৎ দাস পেশায় একজন অটো চালক। কিছুদিন হলো আশা কর্মীর কাজ পেয়েছেন তার মা, ছোট ভাই বহি: রাজ্যে বেসরকারি একটি কোম্পানিতে কর্মরত। ঝুট – ঝামেলাবিহীন হাসিখুশি একটি পরিবার ছিলো মনীষাদের।

২০২৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর আর পাঁচটা মেয়ের মত মনীষাও চায় নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আকাশ ছুঁতে। বাড়ির পাশে মেডিক্যাল কলেজ শুরু হওয়ার কথা শুনে,ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ইন্টারভিউ দেয় মনীষা। ইন্টারভিউতে হোস্টেল ওয়ার্ডেনর চাকরিও পেয়ে যায়।
কিন্তু নিয়তির কি নিষ্ঠুর পরিহাস? কে জানতো, যে হোস্টেলে মনীষা চাকরি করছে,সেই হোস্টেলের রুম থেকেই উদ্ধার হবে তার ঝুলন্ত নিথর দেহ।
পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বললেও মনীষার মায়ের জোড়ালো দাবি খুন করা হয়েছে তাঁর মেয়েকে।
এদিকে গোটা ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মুখ খুলেনি মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে ঘটনার যাতে সুষ্ঠু তদন্ত হয় সে বিষয়ে তৎপর রয়েছে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ইতিমধ্যেই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

