পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেই শেষ নয়—অভিযোগ উঠেছে, পালাতে পালাতেই গাড়ি থেকে নির্বিচারে গুলি চালানো হয় স্থানীয় যুবকদের লক্ষ্য করে! মুহূর্তে আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। ভোট কেন্দ্র সংলগ্ন অঞ্চলে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা’কে ঘিরে।

তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,১২ এপ্রিল।।
             ভোটের শেষ পর্যায় মানেই শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া—এমন প্রত্যাশা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল কল্যাণপুরে। ১১ মহারানী তেলিয়ামুড়া কেন্দ্রের দীনদয়াল পাড়া বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বিকেলের দিকে আচমকাই তৈরি হয় চরম উত্তেজনা, যা মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
     বিকাল প্রায় ৩:৪৫ মিনিট নাগাদ কয়েকটি গাড়িতে করে একদল বহিরাগত দুষ্কৃতীর প্রবেশ—আর তারপরই শুরু হয় অশান্তির নাটক। অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই এলাকায় ঢুকে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয় তিপ্রা মথা কর্মীরা বাঁধা দিতে এগিয়ে আসতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়।
       পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেই শেষ নয়—অভিযোগ উঠেছে, পালাতে পালাতেই গাড়ি থেকে নির্বিচারে গুলি চালানো হয় স্থানীয় যুবকদের লক্ষ্য করে! মুহূর্তে আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। ভোট কেন্দ্র সংলগ্ন অঞ্চলে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা’কে ঘিরে।
          খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কল্যাণপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। ওসি আশীষ সরকারের নেতৃত্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয় এবং আপাতত উত্তেজনা প্রশমিত করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
      এদিকে, তিপ্রা মথা দলের স্থানীয় নেতা গৌরব দেববর্মা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগী ভূমিকা নেন বলে জানা গেছে।
       তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ওসি আশীষ সরকার জানিয়েছেন, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়, তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।”
    এই ঘটনায় উত্তর মহারানী জুড়ে ছড়িয়েছে উদ্বেগ, ক্ষোভ আর নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন। ভোটের দিনে এমন দুঃসাহসিক ঘটনায় গণতন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশ কতটা সুরক্ষিত—তা নিয়েই এখন সরব সাধারণ মানুষ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *