এদিন বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ” আসন্ন ভিলেজ কমিটির নির্বাচনেও পৃথক ভাবে লড়াই করবে বিজেপি। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করবে না। এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। কারণ নিজেদের শক্তির উপর আস্থা রয়েছে নেতৃত্বের”।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৫ এপ্রিল।।
সদ্য সাঙ্গো হয়েছে এডিসি নির্বাচন। তারপরও পাহাড়ে অব্যাহত ভোটের আবহ। ইতিমধ্যেই পাহাড়ে শুরু হবে ভিলেজ কমিটির নির্বাচন। আসন্ন ভিলেজ নির্বাচন নিয়ে রোডম্যাপ করতে ব্যস্ত ভারতীয় জনতা পার্টি। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার উপস্থিতিতে এডিসি নির্বাচনের পর্যালোচনা ও ভিলেজ ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করেন ভাজপা নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী রতনলাল নাথ, প্রনজিৎ সিংহ রায়, শান্তনা চাকমা শহ প্রদেশ কমিটির অন্যান্য নেতৃত্ব।
এদিন বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ” আসন্ন ভিলেজ কমিটির নির্বাচনেও পৃথক ভাবে লড়াই করবে বিজেপি। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করবে না। এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। কারণ নিজেদের শক্তির উপর আস্থা রয়েছে নেতৃত্বের”।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এডিসি নির্বাচনের পর তিপ্রামথা জোর করে ভিলেজ কাউন্সিল দখল করছে। এই সংক্রান্ত খবর আসছে। কিন্তু তারা জোর করে ভিলেজ কমিটি দখল নিতে পারবে না।আইনের বহু বিধান রয়েছে।
এডিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতেই অমরপুরের পর্যটন ক্ষেত্র ছবিমুড়াতে লোকজনের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে।সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী সটান বলেন, ” এটা অনৈতিক কাজ। বিষয়টি নিয়ে তিনি অবগত নন।” ঘুরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবার বুঝবে পাহাড়ের মানুষ। শুধু তাই নয়, এডিসি এলাকায় থাকা কর্মচারীরাও বুঝতে পারবেন তারা কাদের ভোট দিয়েছেন।” রাজনৈতিকরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ন।কারণ এডিসি ভোটে জনজাতি কর্মচারীরা ( সরকারি) ভাজপাকে হতাশ করেছেন। তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রদ্যুৎ কিশোরের তিপ্রামথার উপর।

