এই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, ” শুধু বন দপ্তর নয়, প্রতিটি সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি চলছে। দুর্নীতিবাজ ডিএফও গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগা পালিয়ে যায় নি। তাকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে আরও রাঘব বোয়াল রয়েছে। সুদীপ বলেন, বিজেপি প্রশাসনে যারা বিচার করবেন, তারাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।”
ডেস্ক রিপোর্টার,৩০ এপ্রিল ।।
সম্প্রতি রাজ্যের বন দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে রাজ্য বন দপ্তরে। দক্ষিণ জেলার প্রাক্তন ডিএফও আইএফএস গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগা নগদ ৬০ লক্ষ টাকা তার মামার মাধ্যমে নিজ বাড়িতে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ডিএফও গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগার মামাকে ৬০ লক্ষ টাকা সহ আগরতলা রেল স্টেশনে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে ডিএফও – মামা পুলিশ হেফাজতে। তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে আগরতলার এনসিসি থানায়। আগামী ৪ মে তাকে পুনরায় তুলা হবে আদালতে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগার মামা স্বীকার করেন, তাকে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়েছে ভাগ্নে। অর্থাৎ ডিএফও গৌরব। এই বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্য বন দপ্তর গৌরবকে ক্লোজ করে। তদন্তকারী ক্রাইম ব্রাঞ্চ আই এফ এস গৌরবকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেয়। গৌরব এই খবর জানতে পেরে সরকারি কোয়াটার থেকে পালিয়ে যায়।যাওয়ার সময় নিজের মোবাইলটিও রেখে যায়। যেন পুলিশ তার কোনো লোকেশন ট্র্যাক করতে না পারে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, ” শুধু বন দপ্তর নয়, প্রতিটি সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি চলছে। দুর্নীতিবাজ ডিএফও গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগা পালিয়ে যায় নি। তাকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে আরও রাঘব বোয়াল রয়েছে। সুদীপ বলেন, বিজেপি প্রশাসনে যারা বিচার করবেন, তারাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।”
কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বুঝানোর চেষ্টা করেন গোটা বিজেপি সরকার দুর্নীতির গড্ডায় পড়ে আছে। তবে এটাও বাস্তব ৬০ লক্ষ টাকা দুর্নীতি মামলায় পুলিশ – গোয়েন্দার চোখে ফাঁকি দিয়ে কিভাবে রাজ্যন্তরি হয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর কি দিতে পারবেন রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী থেকে বনমন্ত্রী, রাজ্য পুলিশের ডিজিপি থেকে বন দপ্তরের পিসিসিএফ? নিশ্চয় না।

