দুর্গা – রাজু কেউই দখল নিতে পারে নি  ঊষা বাজারে অপরাধের জংশন দখল নিতে।আপাত দৃষ্টিতে সেই সঙ্গে শেষ হয় ঊষা বাজারে অপরাধ জগতের চিত্র নাট্য। অবশ্যই এই সমস্ত চিত্র নাট্যের গুরু কারা? উত্তর,  রাজ্যের শাসক দলের একাংশ নেতা। সঙ্গে কয়েকজন খাকি উর্দিওয়ালা। দায়িত্ব নিয়ে বলছি,  আমরা ” জনতার মশাল ” যথা সময়ে এই সমস্ত লোকজনের মুখোশ উন্মোচন করবো।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১মে।।
 
নাম: দুর্গা প্রসন্ন দেব ওরফে ভিকি
     
বাড়ি: ঊষা বাজার

মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল, ২০২৪।

স্থান: হাতি পাড়া, গান্ধীগ্রাম

থানা: এয়ারপোর্ট।
                


দুর্গা প্রসন্ন দেব ওরফে ভিকির দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হলো বৃহস্পতিবার। মৃত্যুর দিন পর্যন্ত ভিকি ছিলেন ঊষাবাজার ভারত রত্ন ক্লাবের সম্পাদক। ২০২৪- র ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা রাতে শহর সংলগ্ন গান্ধীগ্রামে আততায়ীর গুলিতে খুন হয়েছিলেন দুর্গা। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিলো ঊষাবাজারের মধুর ভাণ্ড সিপিডব্লুডির দখলদারি। তৎকালীন সময়ে ঊষাবাজারের সিপিডব্লুডির নিগোসিয়েশন বাণিজ্যের ব্যাটন ছিলো সমাজদ্রোহী রাজু বর্মনের হাতে। রাজুর কাছ থেকে দুর্গা প্রসন্ন এই মধুর ভাণ্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে রাজু। শেষ পর্যন্ত গান্ধীগ্রামে দুর্গা প্রসন্ন- র মরণ ফাঁদ তৈরি করে রাজু বর্মন। এবং রাজুর পাতা মারণ ফাঁদে পা দিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান দুর্গা প্রসন্ন। আর এখন বন্ধু দুর্গাকে হত্যা করে জেলের চার দেওয়ালে দিন কাটাচ্ছে রাজু বর্মন। দুর্গা – রাজু কেউই দখল নিতে পারে নি  ঊষা বাজারে অপরাধের জংশন দখল নিতে।আপাত দৃষ্টিতে সেই সঙ্গে শেষ হয় ঊষা বাজারে অপরাধ জগতের চিত্র নাট্য। অবশ্যই এই সমস্ত চিত্র নাট্যের গুরু কারা? উত্তর,  রাজ্যের শাসক দলের একাংশ নেতা। সঙ্গে কয়েকজন খাকি উর্দিওয়ালা। দায়িত্ব নিয়ে বলছি,  আমরা ” জনতার মশাল ” যথা সময়ে এই সমস্ত লোকজনের মুখোশ উন্মোচন করবো।


বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের “ক্রাইম হাব” ঊষা বাজারে এখনো সমান্তরাল ভাবে চলছে অপরাধ।

প্রশ্ন হলো, দুর্গা প্রসন্ন দেবের খুন ও রাজু
বর্মন সহ তার কয়েকজন অনুগামীর জেল বাসের পরও কি ঊষা বাজারে ঘুটঘুটে কালো অপরাধের ক্যানভাসে  আলো ফুটেছে? মোটেই না। বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের “ক্রাইম হাব” ঊষা বাজারে এখনো সমান্তরাল ভাবে চলছে অপরাধ। বরং দুর্গা – রাজুর অবর্তমানে মুখোশধারীরা এখন ত্রাস হয়ে উঠছে গোটা এলাকায়। জমি কেনা বেচা থেকে শুরু করে সিপিডব্লুডি নিগোসিয়েশন, মাদক বাণিজ্য সবই চলছে নিয়মিত। অভিযোগ, সমস্ত অপরাধকে আস্কারা দিচ্ছে স্থানীয় ভারতরত্ন ক্লাবের জনা কয়েক মাতব্বর। বাস্তব অর্থে তারাই এখন ঊষা বাজারের লাভার্থী। তাদের অপরাধের মুখোশও  ” জনতার মশাল ” উন্মোচন করবো খুব শীঘ্রই।
 


২০২৪- র ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা রাতে এই বিমান দাসের ফোন পেয়েই  গান্ধীগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন দুর্গা প্রসন্ন দেব। এবং সেখানে গাড়ি থেকে নামতেই আততায়ীরা পিস্তলের বুলেটে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল দুর্গা প্রসন্নকে।

ধৃত রাজু বর্মন ছাড়াও দুর্গা প্রসন্ন হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বিমান দাস এখনো পলাতক। ২০২৪- র ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা রাতে এই বিমান দাসের ফোন পেয়েই  গান্ধীগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন দুর্গা প্রসন্ন দেব। এবং সেখানে গাড়ি থেকে নামতেই আততায়ীরা পিস্তলের বুলেটে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল দুর্গা প্রসন্নকে। দুর্গা খুনের দুই বছর হলেও পুলিশ নাকি এখনো টিকিট নাগাল পায় নি বিমান দাস দেবব্রত বর্মন, প্রভাকর ঘোষ, অমিতাভ ঘোষ সহ আরো কয়েকজনের। এটা অবশ্যই পুলিশের চরম ব্যর্থতা!

পলাতক অভিযুক্ত বিমান দাস

তবে এটাও বাস্তব সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের সঙ্গে এই মামলার তদন্তকারী অফিসার তথা এনসিসি থানার ওসি প্রাজিৎ মালাকারের গোপন সমঝোতা থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা খোদ স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তথা সিটের সদস্যদের।

তদন্তকারী পুলিশ কর্তা প্রাজিৎ মালাকার।

কিন্তু, অবাক করার প্রশ্ন, বন্ধু দুর্গা প্রসন্নকে হারানোর ব্যথায় যারা আজ বিহ্বল তারা একবারেও বিমান দাস, দেবব্রত, প্রভাকরদের গ্রেফতারের জন্য রাস্তায় আন্দোলনে নামছে না।

কিন্তু, অবাক করার প্রশ্ন, বন্ধু দুর্গা প্রসন্নকে হারানোর ব্যথায় যারা আজ বিহ্বল তারা একবারেও বিমান দাস, দেবব্রত, প্রভাকরদের গ্রেফতারের জন্য রাস্তায় আন্দোলনে নামছে না। তারা রহস্য জনক কারণে নিশ্চুপ। বরং তারা ব্যাস্ত সিপিডব্লুডি – র নিগোসিয়েশন বাণিজ্যের অর্থ হাতিয়ে নিজেদের পকেট ভর্তি করতে। এবং ঘুর পথে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের ঘুমে বিক্রি করে গোটা বড়জলাতে বামেদের হাতকে আরো শক্তিশালী করতে।


ভারত রত্ন ক্লাব ও সিপিডব্লুডি – র নিগোসিয়েশন বাণিজ্যের মাথায় বসে কয়েকজন লাভার্থি কিভাবে বড়জলাতে সিপিআইএমের শিকড় আরও গভীরে প্রোতিথ করছে  তাও আগামী পর্বে অনুপুঙ্খ ভাবে তুলে ধরবে “জনতার মশাল”।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *