চাকমাঘাট এলাকা দিয়ে এই পাচারের গাড়িগুলি নিয়মিত যাতায়াত করছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পাচারের গাড়িগুলি অবাধে ২৯-কৃষ্ণপুর মন্ডল কার্যালয়ের সামনে দিয়েই দিন-দুপুরে যাতায়াত করছে। অথচ প্রশাসনের তরফে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১০ মে।।
প্রশাসনের নীরবতার সুযোগ নিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমার চাকমাঘাট এলাকায় গরু পাচারকারীদের দাপট চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ উঠেছে, পাচারকারীরা কার্যত প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিনের আলোতেই বোলেরো গাড়ি বোঝাই করে গরু পাচার করে চলেছে। এই পাচার বাণিজ্য এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, পাচারকারীরা এখন কোনো লুকোছাপা ছাড়াই বুক চিতিয়ে সীমান্ত অভিমুখে ছুটছে।
খবর অনুযায়ী, চাকমাঘাট এলাকা দিয়ে এই পাচারের গাড়িগুলি নিয়মিত যাতায়াত করছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পাচারের গাড়িগুলি অবাধে ২৯-কৃষ্ণপুর মন্ডল কার্যালয়ের সামনে দিয়েই দিন-দুপুরে যাতায়াত করছে। অথচ প্রশাসনের তরফে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।
এই পাচার বাণিজ্য নির্বিঘ্নে চলার পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক যোগসূত্র। অভিযোগের আঙুল উঠেছে কৃষ্ণপুর মন্ডলের এক প্রভাবশালী ‘মাতাব্বর’ নেতার দিকে। স্থানীয় মহলে গুঞ্জন, ওই মন্ডল নেতাকে মোটা অঙ্কের ‘প্রণামী’ বা মাসোহারা দিয়েই পাচারকারীরা এই অসাধু কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়া থাকায় পুলিশ বা বিএসএফ-এর ভয়কে তোয়াক্কা করছে না পাচারকারী সিন্ডিকেট।
প্রকাশ্য দিবালোকে এই ধরনের অবৈধ কারবার চলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের এই ‘নীরব দর্শক’ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই পাচার বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।সেইসাথে এর নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।এখন দেখার, এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে কি না, নাকি ‘প্রণামী’র দাপটে পাচারকারীদের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকে।

