ডেস্ক রিপোর্টার, ৮ আগস্ট।।
ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাল সংক্রমণ, যা সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের চার থেকে দশ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ না থাকলেও, কারও হঠাৎ তীব্র জ্বর, অসহ্য মাথাব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, পেশি ও অস্থিসন্ধিতে যন্ত্রণা, বমি, বমি বমি ভাব এবং ত্বকে র্যাশ দেখা দেয়।
বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। দিল্লিতে একদিকে যেমন ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে এইচ১এন১ বা সোয়াইন ফ্লু-র সংক্রমণও।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির বাসিন্দা ১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাইরের রাজ্য থেকে আসা আরও ২১০ জন রোগী। ফলে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৮৯।
উল্লেখ্য,বেশিরভাগ রোগী এক থেকে দু-সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে জ্বর সেরে যাওয়ার পরেও কিছু সতর্ক সংকেত দেখা দিতে পারে। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা, নাক বা মাড়ি থেকে রক্তপাত, বমি বা পায়খানায় রক্ত, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে গেলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। কারণ এগুলি গুরুতর ডেঙ্গুর লক্ষণ হতে পারে।ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, বেশি করে তরল পান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। সাধারণত অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন এড়িয়ে চলতে বলা হয়, কারণ এগুলি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।ডেঙ্গু এড়াতে বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া, শরীর ঢাকা পোশাক পরা, মশা প্রতিরোধক ব্যবহার এবং মশারি টাঙিয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

