ডেস্ক রিপোর্টার,৫ সেপ্টেম্বর।।
শহরের অভয়নগরে মাথা তুলে দাঁড়ানোর নেশা মুক্তি কেন্দ্র স্বপ্না ফাউন্ডেশনে খুন হলো এক আবাসিক। তার নাম তুহিন শুভ্র ভট্টাচার্য ।
খুনের অভিযোগে এনসিসি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে স্বপ্না ফাউন্ডেশনের কর্ণধার শুভম বিশ্বাস সহ আরো আট আবাসিককে। শনিবার তাদেরকে তিনদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করে অনুসন্ধানকারী পুলিশ।তুহিন শুভ্র ভট্টাচার্যকে কেন খুন করা হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। অভিযুক্তদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই খুনের মোডাস অপারেন্ডি স্পষ্ট হবে পুলিশের কাছে।
এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস জানিয়েছেন, গত ১৬ আগস্ট সাহানা দাস ভট্টাচার্য নামে এক মহিলা এনসিসি থানায় অভিযোগ করেন। তিনি জানান তার স্বামী তুহিন শুভ্র ভট্টাচার্যকে স্বপ্না ফাউন্ডেশনের মধ্যে মারধর করা হয়। পরেজিবি হাসপাতালে তার স্বামীর মৃত্যু হয়। মহিলার অভিযোগ মূলে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট থেকে পুলিশের কাছে তুহিন শুভ্র’র খুনের ঘটনা স্পষ্ট হয়ে যায়। খুনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর শনিবার সকালে পুলিশ স্বপ্না ফাউন্ডেশনের কর্ণধার শুভম বিশ্বাস সহ আরো আটজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে থানায়।
ওসি পরিতোষ দাস জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর স্বপ্না ফাউন্ডেশনে গিয়েছিলেন তুহিন শুভ্র’ ভট্টাচার্য। এরপর সেখানেই থাকতো। গত ১৫ আগস্ট তাকে স্বপ্না ফাউন্ডেশনের ভেতরে মারধর করা হয়। তিনি ভর্তি হন জিবিতে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর শহরের নেশা মুক্তি কেন্দ্র গুলির আভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। বাস্তব অর্থে নেশা মুক্তি কেন্দ্র গুলির মধ্যেই চলে মাদক ব্যবসা। এর আগেও নন্দননগরের একটি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে জোড়া খুন সংঘটিত হয়েছিল। আততায়ীরা লাশগুলিকে গুম করে রেখেছিল বাণিজ্য চৌমুনীস্থিত আমতলী এলাকার একটি জঙ্গলে। অবশ্যই পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছিল। এই জোড়া খুনের পেছনেও ছিল নেশা মুক্তি কেন্দ্রের মাদক কারবার।

