ডেস্ক রিপোর্টার, ২২ সেপ্টেম্বর।।
এসআইআর’কে কেন্দ্র করে দিল্লিতে বিতর্ক চলছে। এসআইআর নোটিস পেয়েছেন খোদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তালিকায় রয়েছে একাধিক হেভিওয়েটদের নাম। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ল নির্বাচন কমিশন। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসংগতির ভিত্তিতে বহু ভোটারকে যে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, সেই ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র অর্থ কী? তা জানতে কমিশনের জবাব তলব করল শীর্ষ আদালত।পাশাপাশি, এবিষয়ে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
দিল্লির খসড়া ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৪৭ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে।লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র কারণে নোটিস পেয়েছেন প্রায় ৩৩ লক্ষ ভোটার।
বলা বাহুল্য, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। তথ্যগত অসংগতির নির্দিষ্ট সংজ্ঞা বা মাপকাঠি প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ। মামলাকারীর দাবি, অনেক নোটিসে শুধু অসঙ্গতির কথা বলা হলেও ঠিক কোন তথ্যের অমিল রয়েছে, তা স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে না। এর ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
এআবেদনকারী ও সামাজিক কর্মীদের মতে, নোটিস পাঠানোর পেছনে কোনো স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করা হচ্ছে না। সাধারণ নাগরিক ও দরিদ্র ভোটারদের পক্ষে এই জটিল প্রক্রিয়ার উত্তর দেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নোটিস পাঠানো মানেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নয়। এটি ভোটার তালিকা আরও নিখুঁত করার একটি প্রক্রিয়া মাত্র। উপযুক্ত কাগজপত্র বা বিএলও যাচাইয়ের মাধ্যমে অসংগতি দূর হলেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
Oplus_16908288