ডেস্ক রিপোর্টার, ৩০সেপ্টেম্বর।।

রাজ্যের একাংশে সক্রিয় নিগো বাণিজ্যের হোতারা।এদের মধ্যে শাসকদলের ভেতরেরই কিছু সুযোগসন্ধানী নেতা রয়েছে।এমনই একটি বিষয় চর্চায় রয়েছে তেলীয়ামুরায়।সরকারি ঠিকাদারি কাজের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি-র কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাসের একটি বিতর্কিত ফোনালাপ বা অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

ওই ভাইরাল অডিওটিতে কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাসকে এক ঠিকাদারকে পরামর্শ দিয়ে বলতে শোনা যায়, “বিকাশ স্যার ও স্বপন দাসের সঙ্গে কথা বলে তবেই টেন্ডার ড্রপিং করতে।” উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি কাজগুলি তদারকি করছেন স্বয়ং মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং মণ্ডলের কোষাধ্যক্ষ স্বপন দাস। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে দলীয় নেতার নাম ভাঙিয়ে এইভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ ও নিগোসিয়েশন চালানোর চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সরকারি অনলাইন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কেন দলীয় নেতা বা মন্ত্রীদের সঙ্গে আগে থেকে কথা বলতে হবে?তবে কি রাজ্যের সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে না?অভিযোগ উঠছে, অনলাইনের নামে পিছনের দরজা দিয়ে ফোন মারফত টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে, যার ফলে প্রকৃত ও যোগ্য ঠিকাদাররা কাজ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

গোপাল দাস ( সহ – সভাপতি, কৃষ্ণপুর মন্ডল।)

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ সেপ্টেম্বর।।
           রাজ্যের একাংশে সক্রিয় নিগো বাণিজ্যের হোতারা।এদের মধ্যে শাসকদলের ভেতরেরই কিছু সুযোগসন্ধানী নেতা রয়েছে।এমনই একটি বিষয় চর্চায় রয়েছে তেলীয়ামুরায়।সরকারি ঠিকাদারি কাজের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি-র কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাসের একটি বিতর্কিত ফোনালাপ বা অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
     ওই ভাইরাল অডিওটিতে কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাসকে এক ঠিকাদারকে পরামর্শ দিয়ে বলতে শোনা যায়, “বিকাশ স্যার ও স্বপন দাসের সঙ্গে কথা বলে তবেই টেন্ডার ড্রপিং করতে।” উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি কাজগুলি তদারকি করছেন স্বয়ং মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং মণ্ডলের কোষাধ্যক্ষ স্বপন দাস। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে দলীয় নেতার নাম ভাঙিয়ে এইভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ ও নিগোসিয়েশন চালানোর চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সরকারি অনলাইন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কেন দলীয় নেতা বা মন্ত্রীদের সঙ্গে আগে থেকে কথা বলতে হবে?তবে কি রাজ্যের সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে না?অভিযোগ উঠছে, অনলাইনের নামে পিছনের দরজা দিয়ে ফোন মারফত টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে, যার ফলে প্রকৃত ও যোগ্য ঠিকাদাররা কাজ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *