ডেস্ক রিপোর্টার,১৯ অক্টোবর।।
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ছ’দিন পেরিয়েছে সবে। রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে এ বার গুলি চলল অভিনেতা টাইগার শ্রফের ( জ্যাকি শ্রফের ছেলে) উপর। দু’টি ঘটনার মধ্যে অদ্ভুত মিল। উভয় ক্ষেত্রেই লরেন্স বিশ্নোই গ্যাংয়ের হয়ে কথা বলার দাবি করা এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, অভিনেতা সলমন খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, পর পর পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান অভিনেতা টাইগার ।তবে আহত হয়েছেন তিনি। জখম অভিনেতার গাড়ির চালক এবং এক অটোচালকও। মুম্বইয়ের জুহু এলাকার একটি ফুটবল ক্লাব থেকে বিএমডব্লিউয়ে চড়ে বেরোচ্ছিলেন অভিনেতা। তখনই তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।
ঘটনার পর পরই একটি ভয়েস রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা ওঁকে ফোন করেছিলাম, বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু উনি বোঝেননি। তাই আজ, আমরা সবটা ওঁকে ব্যাখ্যা করব বলে সিদ্ধান্ত নিই। মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির যে বা যাঁরা আমাদের কথা শুনবেন না এবং সলমন খানের সঙ্গে কাজ করবেন, তাঁরাই আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য। দেখতে থাকুন। এটিই প্রথম ও শেষ সতর্কবার্তা।’’
এই হামলার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে হরমন সান্ধুকে নিজের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেছেন অনিল। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, তাঁরা দু’জনেই বর্তমানে আমেরিকায় করছেন। একই জায়গায় রয়েছেন শুভম লঙ্কার, যিনি ২০২৪ সালে বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছিলেন।
ঠিক দু’বছর আগে ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবরের রাতে বান্দ্রা (পূর্ব) এলাকায় পুত্র জিশান সিদ্দিকির অফিসের বাইরে তিন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন ৬৬ বছর বয়সি বাবা সিদ্দিকি। অনেক অভিনেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। পরিচিত ছিলেন সলমন-ঘনিষ্ঠ হিসেবেও।
Oplus_16908288