
ডেস্ক রিপোর্টার,১১জুন।।
দরজায় কড়া নাড়ছে ২৪- র লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন নিয়ে তপ্ত হচ্ছে পাহাড় রাজনীতি। নির্বাচনে মূল টক্কর হবে বিজেপি ও তিপ্রামথার মধ্যে। বিজেপি একাই রাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে লড়াই করবে। এটা প্রায় নিশ্চিত। এবং লোকসভা নির্বাচনে মথার সঙ্গে যে কোনো সমঝোতা হবে না, তাও বলার অপেক্ষা রাখেনা। এর ঝলক দেখা গিয়েছে শুক্রবার এডিসির সদর দপ্তর খুমুলুঙে।

সেখান বিজেপি – আইপিফটি যৌথ ভাবে সভা করে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে। এদিন রাতেই এডিসির জিরানিয়া খলাতে তিপ্রামথার পার্টি অফিসে আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। মথার কর্মীদের অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে।

রাজনীতিকরা বলছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনেও রাজ্য রাজনীতিতে দেখা যেতে পারে বিরোধী শিবিরের নতুন সমীকরণ।বিরোধীরা যেই সমীকরণই করোক না কেন, লক্ষ্যে অবিচল বিজেপি। তারা আইপিএফটি ব্যতীত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতায় যাবে না। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই লড়াই করবে দুইটি আসনে। তার জন্য পাহাড়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। বিজেপি নেতৃত্ব স্পস্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ২৪- র লোকসভা নির্বাচনে তারা রাজ্যের দুইটি আসন উপহার দেবে নরেন্দ্র মোদীকে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এডিসি অঞ্চল গুলিতে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করছে বিজেপি। সঙ্গে তাদের জোট শরিক আইপিএফটি।

রাজনীতিকদের ব্যাখ্যা, বিজেপি নেতৃত্ব ভালো করেই জানে রাজ্যের দুইটি লোকসভা আসনের অন্তর্গত এডিসি অঞ্চল থেকে ভোট সংগ্রহ করতে হলে পরিবর্তন আনতে হবে রণ কৌশলের।কারণ পাহাড়ে বরাবর তিপ্রামথা শক্তি প্রদর্শন করে সন্ত্রাসের মাধ্যমে। তিপ্রামথাকে আটকাতে হলে পাল্টা কাউন্টার অ্যাটাকে যেতে হবে।অন্যথায় পাহাড়ে সুবিধা করা যাবে না।এই কারণের মথা দমানোর জন্য আক্রমাত্বক মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছে বিজেপি নেতৃত্ব। এটা বাস্তব পাহাড়ি অঞ্চলে জনমনে আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তিপ্রামথা।মানুষের মন থেকে মথার আতঙ্ক কাটাতে হলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
ওয়াকিবহাল মহলের কথা অনুযায়ী, শুক্রবার এডিসির সদর দপ্তর খুমুলুঙ্গে বিজেপি – আইপিএফটি জোট জনসভার মাধ্যমে তিপ্রামথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোরকে বার্তা দিয়েছেন। এবং বুঝিয়ে দিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের অঙ্ক কাজ করবে না। মথার সমস্ত চ্যালেঞ্জকে তুরি মেরে ফেলে দেওয়ার জন্য অস্ত্র শান দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
