
ডেস্ক রিপোর্টার, আগরতলা।।
প্রদেশ কংগ্রেসে ইতি বীরজিত জামানার।নতুন সভাপতি আশীষ কুমার সাহা।আশীষ সভাপতি হতেই কংগ্রেসের সংসারে আগুন।প্রতিবাদে কংগ্রেসের সঙ্গ ছাড়লেন প্রশান্ত ভট্টাচার্য।তিনি ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রবক্তা ।
বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস মানেই সুদীপ কংগ্রেস। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের সময় বীরজিত সিনহা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি থাকলেও পোস্ট অফিস চৌমুহনীর রিমোট কন্ট্রোল ছিলো সুদীপ রায় বর্মনের হাতে। নির্বাচনের আগেই প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পরিবর্তনের আবহ তৈরি হয়েছিল। তখনও দাবিদার ছিলেন সুদীপ রায় বর্মনের ছায়া সঙ্গী আশীষ কুমার সাহা। যদিও তখন ভোটের এআইসিসি বীরজিতকে চটাতে চাইছিল না। তাই পরিবর্তন হয় নি কংগ্রেস সভাপতির মুখ।

বিধানসভা নির্বাচন সাঙ্গ হতেই ২৪- র প্রস্তুতি শুরু করেছে কংগ্রেস। তাই পরিবর্তন সভাপতির মুখ। কংগ্রেস সভাপতির মিউজিক্যাল চেয়ার নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই শুরু হয়েছিল কাজিয়া। কংগ্রেস সভাপতির দাবিদারদের তালিকায় ছিলেন কংগ্রেস নেতা আশীষ কুমার সাহা, বিধায়ক গোপাল রায় ও প্রশান্ত ভট্টাচার্য। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের হাই কমান্ড ভরসা রেখেছেন সুদিপ রায় বর্মনের উপর। সভাপতির দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক তথা সুদীপের ছায়া সঙ্গী আশীষ কুমার সাহার হাতে।

শনিবার রাতে এআইসিসি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম ঘোষণা দিতেই পোস্ট অফিস চৌমুহনীতে দেখা যায় পুরানো সংস্কৃতি। আশীষ সাহাকে প্রদেশ সভাপতি হিসাবে মেনে নিতে পারেন নি কংগ্রেসের প্রবক্তা প্রশান্ত ভট্টাচার্য।

তিনি ক্ষোভে রাতেই পদত্যাগ করেন এআইসিসির সদস্য পদ ও দল থেকে। প্রশান্ত নিজেই তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের পদ ত্যাগের কথা জানিয়েছেন।

প্রশান্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্য ছিলো,” আশীষ কুমার সাহা তিন বার কংগ্রেসের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন। তারপরও কেন দল বদলু আশীষকে সভাপতি করা হয়েছে? এআইসিসির এই সিদ্ধান্তে প্রশান্ত ভট্টাচার্য ব্যতীত আর কোন কংগ্রেস নেতা প্রতিবাদ করেননি। তবে একাংশ কর্মীর মধ্যে একই প্রশ্ন উকি দিয়েছে।কিন্তু এটাও বাস্তব সুদীপ ব্যতীত প্রদেশ কংগ্রেস নিষ্প্রাণ।

সুদীপকে ধরে রাখতে হলে আশীষকে সভাপতি করতেই যে হবে।অন্যথায় যেকোনো সময় পরিবর্তন ঘটতে পারে কংগ্রেস রাজনীতির বীজ গণিত, পাটি গণিতের হিসাব।এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
