দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সফর নিয়ে হাই কমিশনার হিসাবে তিনি ইতিবাচক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও ইতিবাচক এবং বাংলাদেশের মানুষও ইতিবাচক। আমি তো যখন সবসময়, যখন রাস্তায় হাঁটি লোকের সঙ্গে কথা বলি, সবকিছু ইতিবাচক।

                   

                          #সমীরণ রায়#
                     _________________

ঢাকা ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর।।
            প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে তড়িঘড়ির কোনো কারণ দেখছেন না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তার ভাষ্য, সম্ভাব্য এই সফর নিয়ে দুই দেশই ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। অবশ্য, বাংলাদেশেল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে অদূর ভবিষ্যতে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারতীয় হাই কমিশনার। পরে তারা আলাদাভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
ত্রিবেদীর কাছে জানতে চান, নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সম্ভাব্য তারিখ ঠিক হয়েছে কি না। জবাবে ভারতের হাই কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিজিট নিয়ে বেশি কিছু আলোচনা আগে যা হয়েছিল, আবার আমি বলি, আমাদের ইনভাইটেশন ইজ ওপেন। এটা নিয়ে আমার মনে হচ্ছে না এবারে কোনো তাড়াহুড়ার দরকার আছে। যখন সময় হবে নিশ্চয় হবে। এভরিথিং ইজ ভেরি পজিটিভ। বাট উই মাস্ট গিভ ডিউ টাইম। একটা সময়ের মধ্যে সবকিছু পজিটিভ হবে। দেওয়ার ইজ নো কোয়েশ্চেন অ্যাবাউট এনিথিং নেগেটিভ।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সফর নিয়ে হাই কমিশনার হিসাবে তিনি ইতিবাচক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও ইতিবাচক এবং বাংলাদেশের মানুষও ইতিবাচক। আমি তো যখন সবসময়, যখন রাস্তায় হাঁটি লোকের সঙ্গে কথা বলি, সবকিছু ইতিবাচক। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতায় (পলিটিক্যাল কমপালশনস) দুপক্ষেরই আছে। ওইটা তো-সব হয়ে যাবে, সেটার কাজ চলছে। তবে সবকিছু খুবই ইতিবাচক এবং আমি নিশ্চিত যে, দুদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সুবিধাজনক হলেই সব কিছু ঘটবে।
পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তাকেও প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী দিল্লি যেতে পারেন বলে যে আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করলে হুমায়ুন কবির বলেন, গুঞ্জন চলছে, তো গুঞ্জন চৌধুরীকে নিয়েতো আমি আলাপ করতে পারি না। কত গুঞ্জন, আমি তো হইল রিয়ালিটি নিয়ে কথা বলি। রিয়ালিটি হচ্ছে, আমরা খুব ভালো বৈঠক করেছি এবং আমি ইতিবাচক যে, আমরা অদূর ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারি।
দুদেশের সম্পর্কে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জেসতো আছেই, বলেছি আপনাদেরকে আগেই। চ্যালেঞ্জতো কথাবার্তার মাধ্যমেই কাটিয়ে উঠব। পরিবেশ যখন পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সহায়ক হবে, তখন আমরা একটা সফর করব।
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকা সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ওই রকম কিছু আলাপ হয়নি।
এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা টোটালি সৌজন্যমূলক সাক্ষাত ছিল, এখানে ভিজিট নিয়ে কিছু আলাপ-আলোচনা হইছে, আমরা এটা নিয়ে ইতিবাচক। কিছু চ্যালেঞ্জেস আছে ওগুলো অ্যাড্রেস আমরা ডিসকাশনের মাধ্যমে করতেছি। ভবিষ্যত সম্ভাবনা নিয়ে আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে আছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *