দিল্লির বিজেপির অন্দর মহলের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন পুরো নির্বাচনের আগেই রাজ্যের বর্তমান হেভিওয়েট মন্ত্রী রতন লাল নাথ খোয়াতে পারেন তাঁর চাকরি। মন্ত্রিত্ব হাত ছাড়া হতে পারে মজলিশপুরের বিধায়ক তথা খাদ্য ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর। এই তালিকায় আছেন মন্ত্রী সুধাংশু দাসও।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৯ মে।।
আগামী ২৬ মে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে সর্বভারতীয় বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক। এই বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে প্রদেশ বিজেপির পরবর্তী সভাপতির নাম। একই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার সংসারের অস্থিরতার বিষয়টিও স্থান পাবে বৈঠকে।
দিল্লির খবর অনুযায়ী, ভাজপার কোর কমিটির এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মোদী – শাহ। একই ভাবে রাজ্যের আসন্ন ভিলেজ কমিটির নির্বাচন ও পুর নির্বাচনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভার রদবদলের বিষয়ে উঠে আসবে।
তথ্য বলছে,আসন্ন পুর নির্বাচনের আগে রাজ্য মন্ত্রিসভারও রদবদল করানো হবে। এই ক্ষেত্রে রাজ্যের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী হারাতে পারেন মন্ত্রিত্বের চেয়ার। দিল্লির বিজেপির অন্দর মহলের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন পুরো নির্বাচনের আগেই রাজ্যের বর্তমান হেভিওয়েট মন্ত্রী রতন লাল নাথ খোয়াতে পারেন তাঁর চাকরি। মন্ত্রিত্ব হাত ছাড়া হতে পারে মজলিশপুরের বিধায়ক তথা খাদ্য ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর। এই তালিকায় আছেন মন্ত্রী সুধাংশু দাসও। তাদের জায়গাতে আসবেন নতুন মুখ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মন্ত্রিত্বের চেয়ার আলো করে রাখলেও ছাটা হবে ডানা।
ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে থাকা স্ব- দলীয় ষড়যন্ত্রকারীদের চেহারা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে ভাজপার দিল্লি নেতৃত্বের কাছে। তাছাড়া দিল্লি বিজেপি নেতৃত্ব বুঝে গিয়েছেন,”ত্রিপুরার বিজেপি রাজনীতিতে কোনো নেতা – মন্ত্রী অপ্রতিদ্বন্দ্বী নন। বিজেপি তাদেরকে নির্বাচনে টিকিট না দিলে তারা দলকে নাকানি চুবানি খাওয়াবে, এমন মুরুদও নেই তাদের।”
তাই এই সমস্ত নেতা মন্ত্রীদের নিয়ে নেই বিপদের কোনো ঝুঁকি। তাদের পিঠে বিজেপির পদ্ম ফুল চিহ্ন থাকাতেই এবং মাথার উপর মোদী – শাহ হাত। এই দুইয়ের সমন্বয়ে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে আসেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাই বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের তোয়াজ করতে রাজি নন।
এই পরিস্থিতিতে আগামী ২৬ মে বিজেপির রাজ্য রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ কোর কমিটির এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

