এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট নিয়ে ত্রিপুরা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৭ রানে। রাজ্য দলের পক্ষে একমাত্র লড়াই করেন ওপেনার তন্ময় দাস। ৭০ বল খেলে ৭ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে তন্ময় ৫৩ রান করেন। এছাড়া দলের পক্ষে দলনায়ক আনন্দ ভৌমিক ৬০ বল খেলে ৪ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬, নবারূণ চক্রবর্তী ১৫ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ এবং অর্কজিৎ রায় ৪১ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ রান করেন।
স্পোর্টস ডেস্ক, ২৮ অক্টোবর।।
দাদাদের পথেই হাটছে ছোট ভাই-রা। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে দাদাদের মতই পরাজয়ের হ্যাটট্রিক করবেন আনন্দ-রা। অনূর্ধ্ব-২৩ কর্ণেল সি কে নাইডু ট্রফি ক্রিকেটে। পুদুচেরীর সি এ পি মাঠে ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে আসরের প্রথম ম্যাচে মনে করছেন ক্রিকেট প্রেমীরা। টানা ৩ দিন ওই রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে। ওই অবস্থায় মঙ্গলবার টসে জয়লাভ করে ত্রিপুরা কেনও প্রথমে ব্যাট নিলো তা পরিস্কার নয়। এমনিতেই ত্রিপুরার ব্যাটসম্যান-রা তেমন ফর্মে নেই। ওই অবস্থায় স্যাত স্যাতে উইকেটে টসে জয়লাব করে প্রথমে ব্যাট নেওয়া বোকামি মনে করছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। ম্যাচে ত্রিপুরার ১৩৭ রানের জবাবে স্বাগতিক পুদুচেরী প্রথম দিনের শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করে বড় স্কোর গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট নিয়ে ত্রিপুরা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৭ রানে। রাজ্য দলের পক্ষে একমাত্র লড়াই করেন ওপেনার তন্ময় দাস। ৭০ বল খেলে ৭ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে তন্ময় ৫৩ রান করেন। এছাড়া দলের পক্ষে দলনায়ক আনন্দ ভৌমিক ৬০ বল খেলে ৪ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬, নবারূণ চক্রবর্তী ১৫ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ এবং অর্কজিৎ রায় ৪১ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ রান করেন। পুদুচেরীর পক্ষে নমন শর্মা ৫১ রানে ৫ টি এবং আকাশ ১৭ রানে ২ টি উইকেট দখল করেন। ত্রিপুরাকে অল্প রানে গুটিযে দিয়ে শুরু থেকেই ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করতে থাকেন স্বাগিত দলের ক্রিকেটাররা। শেষ পর্যন্ত প্রথম দিনের শেষে ৩৪ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করে। দলকে বড় স্কোর গড়াতে মূখ্য ভূমিকা নিয়েছেন ওপেনার প্রভীন রাজারথীনাম। দুরন্ত ব্যাট করেন প্রভীন। করেন ৫৭ রান ৮৬ বল খেলে ৬ টি বাউন্ডারি ও ২ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে। এছাড়া দলের পক্ষে রাঘবন ৩৯ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬ এবং অনিইবাগন ৪৫ বল খেলে ১৬ রান করেন। রাজ্য দলের পক্ষে দীপ্তনু চক্রবর্তী, দুর্লভ রায় এবং অর্কজিৎ রায় ১ টি করে উইকেট দখল করেন। ত্রিপুরা এখন ১৬ রানে এগিয়ে রয়েছে। আজ সকালে যদি ত্রপুরার বোলাররা জ্বলে উঠতে পারেন তাহলে ম্যাচ জমবে। নতুবা পরাজযের হ্যাটট্রিক করবে বিশ্বজিৎ পালের ছেলেরা।

