ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩ আগস্ট।।
    বন্যার প্রকোপে রাজ্যের পশ্চিম জেলা ও খোয়াই জেলা। উভয় জেলার বহু জায়গা জলমগ্ন। বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন মানুষ জন। বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে হাওড়া ও খোয়াই নদীর জল।
জল মগ্ন আগরতলা স্মার্ট সিটির আশপাশ এলাকা।শহরের বলদা খাল, চন্দ্রপুর, আড়ালিয়া, প্রতাপগড়, সীমান্ত এলাকায় মানুষের বাড়িঘরে প্রবেশ করেছে নদীর জল। মানুষ আশ্রয় নিয়েছে শরণার্থী ক্যাম্পে। এই পরিস্থিতির পর পরেই মাঠ পর্যায়ে নেমে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল। মানুষকে উদ্ধার করে তাদের পৌঁছে দিয়েছে শরণার্থী ক্যাম্পগুলিতে।দিয়েছে সমস্ত খাবার। সরাসরি মাঠে নেমে উদ্ধারকার্য দেখাশুনা করছেন পশ্চিম জেলার জেলা শাসক বিশালকুমার।
আগরতলার পাশাপাশি জিরানিয়া, মান্দাই, রানীরবাজার খয়েরপুর সহ বিভিন্ন জায়গাও জলমগ্ন। সব জায়গাতেই কাজ করছে প্রশাসন। সঙ্গে অবশ্যই শাসক দল বিজেপির নেতা – কর্মীরাও।
রবিবার বিকালে অমরপুর সফর থেকে আগরতলায় ফিরে এসে বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। সঙ্গে ছিলো মুখ্যমন্ত্রীর পারিষদ বর্গ। মুখ্যমন্ত্রী সরেজমিনে ঘুরে দেখে বলেন, এক সময় নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে চলে যায়। ১১.২২ মিটার উচ্চতায় চলে যায় নদীর জল। এখন অবশ্যই কিছুটা কমেছে। বর্তমানে নদীর জল অতিবাহিত হচ্ছে ১১.১৬ মিটার উচ্চতায়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নদীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন সতর্ক হয়ে মাঠে নামে। মুখ্যমন্ত্রী তথ্য দিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত রাজ্যে ১৭টি রিলিফ ক্যাম্প করা হয়েছে। মোট ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সংখ্যা ৪১৩। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১৩০৫ জন মানুষ।
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী কাজ করছেন মাঠ পর্যায়ে নেমে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের থাকা, খাওয়া ও ওষধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্য সরকার চেষ্টা করছে স্থায়ী ভাবে সমস্যার সমাধান করতে। তবে প্রকৃতির এই খেলা নিয়ে সতর্ক গোটা প্রশাসন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো খামতি রাখা হবে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *