যেখানে সাধারণ মানুষ পাম্পে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত পেট্রোল পাচ্ছেন না, সেখানে কীভাবে সকাল থেকে প্রকাশ্য রাস্তায় এই কালোবাজারি চলছিল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।
খোয়াই ডেস্ক, ১৮ মে।।
রাজ্য জুড়ে যখন জ্বালানি সংকট চরমে, খোয়াইয়ের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পগুলোতে যখন তেলের জন্য হাহাকার, ঠিক তখনই সামনে এলো এক চাঞ্চল্যকর কালোবাজারির ঘটনা। খোয়াইয়ের অনবদ্য পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন রাস্তায় দেদার বিকোচ্ছিল জল মিশ্রিত পেট্রোল। অবশেষে গোপন খবরের ভিত্তিতে এই চক্রের মূল হোতাকে হাতেনাতে পাকড়াও করল প্রশাসন। ধৃত ব্যক্তির নাম স্বপন ঘোষ।

যেখানে সাধারণ মানুষ পাম্পে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত পেট্রোল পাচ্ছেন না, সেখানে কীভাবে সকাল থেকে প্রকাশ্য রাস্তায় এই কালোবাজারি চলছিল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অনবদ্য পেট্রোল পাম্পের মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যেই কীভাবে এই অবৈধ ব্যবসা চালানো সম্ভব হচ্ছিল? পাম্প কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও সাধারণ মানুষের মনে হাজারো প্রশ্ন দানা বাঁধছে।
পেট্রোল পাম্পের রাস্তায় এই অবৈধ কারবারের খবর চাউর হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসে সুভাষ পার্ক আউট পোস্টের পুলিশ এবং খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ অভিযুক্ত স্বপন ঘোষকে আটক করে।
খাদ্য দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া পেট্রোলে জল মেশানো ছিল কি না এবং এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল উৎস খোঁজার চেষ্টা চলছে।

তবে এই তীব্র সংকটের দিনে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে এবং গাড়ির ক্ষতি করে যারা এই ধরনের অসাধু উপায় অবলম্বন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন খোয়াইয়ের সর্বস্তরের নাগরিকরা।এখন দেখার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এই নিয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

