ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির সহ-প্রভারীর দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহাও ছিলেন প্রচারের অন্যতম মুখ। বঙ্গের মাটিতে পদ্ম শিবিরের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের রাজনৈতিক ওজন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আগামী দিনে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার ভাড়ারের গভীরতা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৩ মে। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল কেবল কলকাতার অলিন্দে সীমাবদ্ধ নয়। তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য ত্রিপুরাতেও। রাত পোহালেই পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪ আসনের ভোট গণনা। এই দিনটির দিকেই এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির সহ-প্রভারীর দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহাও ছিলেন প্রচারের অন্যতম মুখ। বঙ্গের মাটিতে পদ্ম শিবিরের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের রাজনৈতিক ওজন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আগামী দিনে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার ভাড়ারের গভীরতা।
মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ( ফাইল ছবি)
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মানদণ্ডে থাকা রাজনৈতিক দলের রণকৌশল ত্রিপুরাতেও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
অতীতের ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে বলা যায়, ,পশ্চিমবঙ্গে বড় কোনো রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে, তার রেশ আছড়ে পড়ে ত্রিপুরাতেও। কারণ,দুই রাজ্যের ভাষা, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে গভীর মিল। তাই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মানদণ্ডে থাকা রাজনৈতিক দলের রণকৌশল ত্রিপুরাতেও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
অতীতের তিক্ততার কারণে মমতার তৃণমূল রাজ্যের মাটিতে ঘাসফুলের চাষবাস কতটা করতে পারবে তা বলবে সময়েই।
২৬- র বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস যদি বড় সাফল্য পায়, তবে ত্রিপুরায় তাদের সংগঠন নতুন করে চাঙ্গা করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে অতীতের তিক্ততার কারণে মমতার তৃণমূল রাজ্যের মাটিতে ঘাসফুলের চাষবাস কতটা করতে পারবে তা বলবে সময়েই। অন্যদিকে, বিজেপি বাংলায় ভালো ফল করলে ত্রিপুরার বর্তমান শাসকদলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ যে বেড়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য।
আগরতলার রাজপথ থেকে চায়ের দোকান—এখন সর্বত্রই আলোচনার কেন্দ্রে ‘বাংলা’। রাত পোহালেই সেই বহু প্রতীক্ষিত দিন।
রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, ৪ মে-র ফলাফল কেবল পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না, বরং ২০২৮-এর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের সলতে পাকানোর কাজও শুরু করে দেবে। তাই আগরতলার রাজপথ থেকে চায়ের দোকান—এখন সর্বত্রই আলোচনার কেন্দ্রে ‘বাংলা’। রাত পোহালেই সেই বহু প্রতীক্ষিত দিন।
পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হতে চলেছে সোমবার কার মাথায় উঠবে রাজতিলক? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাটট্রিক, নাকি নবান্নে প্রথম বারের মতো ফুটবে পদ্ম । অবশ্যই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে “ইভিএম।”