এদিন বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ বিশ্লেষণ।সাম্প্রতিক নির্বাচনে কেন দলের জনভিত্তি আশানুরূপ ছিল না এবং কোথায় কোথায় খামতি ছিল, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছে দল।
ডেস্ক রিপোর্টার , আগরতলা।।
রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সিপিআইএম-এর দুই দিনের রাজ্য কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে বুধবার। রাজ্য সিপিআইএমের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এবারের রাজ্য কমিটির বৈঠক
অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এডিসি নির্বাচন এবং ধর্মনগর উপনির্বাচনে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়াটা যে নেতৃত্বের জন্য চিন্তার কারণ, তা এই পর্যালোচনা বৈঠক থেকেই স্পষ্ট।এদিন বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ বিশ্লেষণ।সাম্প্রতিক নির্বাচনে কেন দলের জনভিত্তি আশানুরূপ ছিল না এবং কোথায় কোথায় খামতি ছিল, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছে দল।তাছাড়া সাংগঠনিক দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ।বুথ স্তর থেকে শুরু করে রাজ্যস্তর পর্যন্ত সংগঠনের কোথায় ফাটল রয়েছে বা কর্মীরা কেন সক্রিয় হতে পারছে না,তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।শুনুন রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরীর বক্তব্য।
তাছাড়া আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে হারানো জমি পুনরুদ্ধার এবং ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর নতুন পরিকল্পনা বা রণকৌশল কি হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।

রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, দলের ভিত্তি মজবুত করতে নিচুতলার কর্মীদের পুনরুজ্জীবিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।তবে সিপিআইএম-এর জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরায় অর্জন করা এবং শাসক শিবিরের রাজনৈতিক কৌশলের মোকাবিলা করা। এই দুদিনের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো আগামী দিনে ত্রিপুরায় বামপন্থী আন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণ করবে বলে বিশ্বাস বাম-নেতা কর্মীদের।তবে বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী যেভাবে সরাসরি সাংগঠনিক দুর্বলতা স্বীকার করে সংশোধনের কথা বলছেন, তা ইঙ্গিত দেয় যে দলটি এখন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে মরিয়া।বাকিটা বলবে সময়।

