তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই সরকার মূলত জনগণের সরকার, তাই মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে প্রতিটি সরকারি দপ্তরকে চব্বিশ ঘন্টা সজাগ এবং সক্রিয় থাকতে হবে। কোনো দপ্তরের কাজ বা অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সংবাদপত্র দেখে নয়, বরং প্রতিটি আধিকারিককে নিজ নিজ দপ্তরের গতিবিধি সম্পর্কে সবসময় ওয়াকিবহাল থাকতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৬ মে।।
সরকার মানেই মহাকরণের চার দেওয়ালে চৌহোদিতে নয়, দাপ্তরিক কাজও শুধু ফাইলে বন্দি নয়। প্রশাসনকে কাজ করতে হবে সরাসরি মানুষের দরজায় গিয়ে। লাঘব করতে হবে জনগণের সমস্যা। পরিষ্কার ভাবে সরকারি আধিকারিকদের একথা জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। এইজন্য মঙ্গলবার রাজ্য মহাকরণে প্রশাসনিক বৈঠকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন সচিবালয়ের ২নম্বর কনফারেন্স হলে আয়োজিত হয় হাই-লেভেল ‘টাস্ক মনিটরিং সিস্টেম’-এর পর্যালোচনা বৈঠক। অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই সরকার মূলত জনগণের সরকার, তাই মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে প্রতিটি সরকারি দপ্তরকে চব্বিশ ঘন্টা সজাগ এবং সক্রিয় থাকতে হবে। কোনো দপ্তরের কাজ বা অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সংবাদপত্র দেখে নয়, বরং প্রতিটি আধিকারিককে নিজ নিজ দপ্তরের গতিবিধি সম্পর্কে সবসময় ওয়াকিবহাল থাকতে হবে।
হাই-লেভেল ‘টাস্ক মনিটরিং সিস্টেমের পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ট্রাফিক ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন পর্যন্ত প্রতিটি স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপর জোর দিয়েছেন। বৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক সমস্যা ও যানজট নিয়ে অত্যন্ত কঠোর মনোভাব পোষা করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দেন, রাজধানী সহ রাজ্যের প্রতিটি জেলা সদরের ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। ইলেকট্রনিক ট্রাফিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা সচল রাখা এবং জনগণের চলাচলের পথ সুগম করার জন্য যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রতিটি সরকারি দপ্তরকে জনস্বার্থে কাজ করার নিদের্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

