জেলা পঞ্চায়েত অফিসের পক্ষ থেকে এক কর্মচারী জানিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে অনাস্থা প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি নজরে আনা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ মে।।
কুমারঘাট ব্লকের অন্তর্গত সোনাইমুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানের বিরুদ্ধে ‘স্বৈরাচারী’ মনোভাব এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিল ৭ জন পঞ্চায়েত সদস্য। বৃহস্পতিবার তাঁরা ঊনকোটি জেলা পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দেন।বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ, বর্তমান শাসকদলীয় প্রধান মীরা মালাকার এবং উপপ্রধান আরতি রানী দেবনাথ অন্যান্য সদস্যদের কোনো মতামত না নিয়েই নিজেদের ইচ্ছেমতো পঞ্চায়েত পরিচালনা করছেন।তাছাড়া পঞ্চায়েতের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে অন্য সদস্যদের গুরুত্ব দেয় না।রয়েছে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের রূপায়ণে স্বচ্ছতার অভাব এবং আর্থিক নয়ছয়।
জেলা পঞ্চায়েত অফিসের পক্ষ থেকে এক কর্মচারী জানিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে অনাস্থা প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি নজরে আনা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শাসকদল বিজেপি পরিচালিত সোনাইমুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের এই অভ্যন্তরীণ বিবাদ এখন কুমারঘাট ব্লকের রাজনীতিতে নতুন চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন দেখার, প্রশাসন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

