ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ আগস্ট।।
চাকরি কেলেঙ্কারি ও প্রশ্ন পত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি। রাজপথে আন্দোলনরত ছাত্র ছাত্রীদের নির্মম ভাবে লাঠি পেটা করেছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সুরেনের পুলিশ। ঝাড়খণ্ডের জোট সরকারে রয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস ও আরজেডি। এই তিন দলের সরকার বহাল।
মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ড ইস্যুতে সাংবাদিক বৈঠক করেন প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব। কৃষ্ণ নগর কুশাভাউ ভবনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা ও মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার। অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ঝাড়খণ্ড ছাত্র – যুবাদের আন্দোলন ইস্যুতে এক হাত নেন দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডে চাকরি কেলেঙ্কারি ও প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে রাহুল গান্ধী নিশ্চুপ। তিনি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন। কারণ সেই রাজ্যে চলছে কংগ্রেস জোট সরকার।
সুশান্ত চৌধুরীর বক্তব্য, দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সময় রাহুল গান্ধী প্রকাশ্যে চলে আসেন। এবং নানান কথা বলেন। কেন্দ্রীয় সরকার পূর্বতন শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। মনে হচ্ছিল রাহুল গান্ধী নিজেই আন্দোলনের গুটি সাজাচ্ছেন। কিন্তু ঝাড়খণ্ড ইস্যুতে রাহুল চুপ।
মন্ত্রী বলেন, ঝাড়খণ্ডের ছাত্রছাত্রীদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তাঁদের দাবি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক এবং আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার দাবি। একইসঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার দাবিও এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

