রাধাচরণ দেববর্মার কথায়, কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগে ২৩টি মহকুমা, ১৫৭ অঞ্চল কমিটি ও ৭৯৬ ইউনিটে পৃথক পৃথক ভাবে সম্মেলন হয়েছে। প্রতিটি সন্মেলনে সভ্য পদ গ্রহণ করা হয়েছে।এবারের সভ্য পদের সংখ্যা ৮৮ হাজার। সাম্প্রতিক কালে এটা রেকর্ড। সভ্যদের মধ্যে সিংহভাগ যুবক। কেন্দ্রীয় সন্মেলনে মোট ৫৫০জন প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করবেন।
ডেস্ক রিপোর্টার,২৭ জানুয়ারি।।
আসন্ন এডিসি নির্বাচনের আগে ২৩ তম কেন্দ্রীয় সন্মেলনের রাজ্যের পাহাড় রাজনীতিতে নিজেদের শক্তির মহড়া দিতে চলছে ত্রিপুরা রাজ্য উপজাতি গণমুক্তি পরিষদ। আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি আগরতলার টাউন হলে দুইদিন ব্যাপী জিএমপির কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়েছেন গণমুক্তি পরিষদের অন্যতম নেতা তথা সংগঠনের সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা।
২০২২ সালে জিএমপি সর্বশেষ কেন্দ্রীয় সন্মেলন করেছিল। এরপর ২৬- এ। রাধাচরণ দেববর্মার কথায়, কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগে ২৩টি মহকুমা, ১৫৭ অঞ্চল কমিটি ও ৭৯৬ইউনিটে পৃথক পৃথক ভাবে সম্মেলন হয়েছে। প্রতিটি সন্মেলনে সভ্য পদ গ্রহণ করা হয়েছে।এবারের সভ্য পদের সংখ্যা ৮৮ হাজার। সাম্প্রতিক কালে এটা রেকর্ড। সভ্যদের মধ্যে সিংহভাগ যুবক। কেন্দ্রীয় সন্মেলনে মোট ৫৫০জন প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করবেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত জিএমপির সহকারী সম্পাদক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী প্রণব দেববর্মা বলেন, রাজ্যের জিনজাতিদের থানসার কথা বলে একটি রাজনৈতিক দল ব্যক্তি স্বার্থে মত্ত হয়ে উঠেছে। জনজাতিদের ভুল বুঝিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করছে তারা। কিন্তু জিএমপি শুধু জনজাতিদের থানসা চায় না। রাজ্যের সমস্ত অংশের মানুষের মধ্যে থানসা চায়।প্রাক্তন মন্ত্রী প্রণব দেববর্মা ঘুর পথে বক্তব্যের মাধ্যমে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিপ্রামথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যুৎ কিশোরকে। সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জিএমপির সভাপতি তথা প্রাক্তন মন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া।
আগামী ২৯ জানুয়ারি ১১টায় টাউন হলে দলীয় পতাকা উত্তোলন মাধ্যমে শুরু হবে কেন্দ্রীয় সন্মেলন। রাজ্যের সরকারি দপ্তরে চাকরিতে শূন্যপদ পূরণ, মনরেগা,কর্মসংস্থান সহ একাধিক ইস্যু উঠে আসবে সন্মেলনে। সন্মেলনে শেষে রবীন্দ্র ভবনের সামনে হবে প্রকাশ্য সমাবেশ। এই সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন সিপিআইএমের সর্ব ভারতীয় নেত্রী তথা পলিটব্যুরোর সদস্যা বৃন্দা করাত। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।
রাজনীতিকরা বলেছেন, রাধা চরণ দেববর্মার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে জিএমপির সদস্য সংখ্যা ৮৮ হাজার। যদি এই তথ্য সঠিক হয়, তাহলে, নিঃসন্দেহে এই সংখ্যা আসন্ন এডিসি নির্বাচনে সিপিএমকে অতিরিক্ত অক্সিজেন দেবে। বেকায়দায় পড়বে পাহাড় রাজনীতির শাসক তিপ্রামথা। সঙ্গে অবশ্যই বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি।

