সম্প্রতি সামনে আসা একটি ‘সই জাল’ কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয় বাংলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে। বাংলার শাসক দল বিজেপি এই জালিয়াতি নিয়ে তৃণমূলকে জব্দ করতে কোমর বাঁধছে। ঠিক এই পরিস্থিতিতে মমতার সংসারের অন্দরের ডামাডোল ধামাচাপা দিতে কড়া মনোভাব দেখাল কালীঘাট।
ডেস্ক রিপোর্টার , ১জুন ।।
বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ক্ষোভ আর অন্তর্দ্বন্দ্বে ফুটছিল ঘাসফুল শিবির। এবার সেই ফাটল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। একদিকে সই জালিয়াতির মতো মারাত্মক কেলেঙ্কারি, অন্যদিকে তীব্র দলীয় কোন্দল— সব মিলিয়ে চরম অস্বস্তিতে বাংলার বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই অস্বস্তি ঢাকতেই এবার আসরে নামল শীর্ষ নেতৃত্ব। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করল তৃণমূল।
সম্প্রতি সামনে আসা একটি ‘সই জাল’ কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয় বাংলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে। বাংলার শাসক দল বিজেপি এই জালিয়াতি নিয়ে তৃণমূলকে জব্দ করতে কোমর বাঁধছে। ঠিক এই পরিস্থিতিতে মমতার সংসারের অন্দরের ডামাডোল ধামাচাপা দিতে কড়া মনোভাব দেখাল কালীঘাট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের ভাবমূর্তি বাঁচাতে এবং কড়া বার্তা দিতেই এই দুই বিধায়কের ওপর শাস্তির কোপ নামিয়ে এনেছেন মমতা।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর যেখানে দলের আরও সংগঠিত হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দুই বিধায়কের বহিষ্কারের ঘটনা স্বভাবতই অস্বস্তি বাড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বাংলার শাসক দল।
বিজেপির কটাক্ষ করে বলছে, “তৃণমূলের ভেতরের কঙ্কালসার চেহারাটা এবার সাধারণ মানুষের সামনে চলে আসছে। সই জালিয়াতি তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র।”
তবে আপাতত দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে দল ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেও,এই ‘মুষলপর্ব’ এখানেই থামে নাকি আগামী দিনে তৃণমূলের অন্দরে আরও বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

