স্পোর্টস ডেস্ক,১৯ নভেম্বর।।
অনবদ্য ইনিংস। দেবংশু দত্ত – র। দেবাংশু – র দায়িত্ব শীল ব্যাটিংয়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পেলো ত্রিপুরা। হরিয়ানার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে। বুধবার একসময় চাপে ছিল ত্রিপুরা। এই সময় ‘ বুধির দুর্গে একা কুম্ভ ‘ হয়ে লড়াই করেন দেবাংশু। দুরন্ত শতরান করে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ অমীমাংসিত ভাবে শেষ করতে মুখ্য ভূমিকা নেন। ম্যাচ অমীমাংসিত ভাবে শেষ হলেই প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ৩ পয়েন্ট পেলো ত্রিপুরা। অনূর্ধ্ব ১৯ কোচ বিহার ট্রফি ক্রিকেটে। এম বি বি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হরিয়ানার ১৭২ রানের জবাবে ত্রিপুরা প্রথম ইনিংসে ১৯৫ রান করেছিল। ২৩ রানে পিছিয়ে থেকে সফররত দল দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৮১ রান করে। শেষ দিনে ত্রিপুরার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৩১ রান। হাতে ছিল ১০ উইকেট। এদিন দিনের শেষ বল পর্যন্ত ত্রিপুরা ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে। চোখ ঝলসানো ইনিংস খেলে দেবাংশু ১৪৪ রানে অপরাজিত থেকে যান। তৃতীয় দিনের বিনা উইকেটে ২৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে এদিন শুরুতেই দীপঙ্কর ভাটনাগর কে হারিয়ে চাপে পরে যায় ত্রিপুরা। এই অবস্থায় ওপেনার জয় চক্রবর্তীর সঙ্গে রুখে দাঁড়ান দিনের নায়ক দেবাংশু। এই জুটি কড়া প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। জয় ৯২ বল খেলে ছয়টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পর ত্রিপুরার শিবির কালো মেঘে ঢেকে যায়। ওই অবস্থায় দাঁতে দাঁত কামড়ে একা লড়াই করতে থাকে দেবাংশু। দিনের শেষ বল পর্যন্ত ত্রিপুরা ১০০ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে। দেবাংশু জীবনের সেরা ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে যান। শেষ পর্যন্ত ২৪৯ বল খেলে ১৭ টি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারি সাহায্যে দেবাংশু ১৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। হরিয়ানার জয়ের গ্রাস একাই কেরে নেন দেবাংশু। রাজ্য দলের পক্ষে এছাড়া সিদ্ধার্থ দেবনাথ ৭৩ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ এবং অর্কজিত পাল ৪৫ বল খেলে দুটি বাউন্ডারি সাহায্যে ১৯ রান করেন। হরিয়ানার পক্ষে আরভ জেফ ৩৭ রানে তিনটি এবং নিধিশ গৌড় ২২ রানে দুটি উইকেট দখল করেন।

