হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে আহত খোকন দাস সাংবাদিকদের জনিয়েছেন, স্থানীয় বাসিন্দা ‘‘বাবুল খাঁর পোলা সোহাগ ছিলো। সামসুদ্দিনের পোলা রাব্বি ছিলো। ওরা তিনজন ছিলো, আমি একজনরে চিনছি। ওদের মধ্যে একজনে আমারে আগুন দিছে।”
ডেস্ক রিপোর্টার, ২ জানুয়ারি।।
বাংলাদেশে ফের হিন্দু ঔষধ ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করে মৌলবাদী শক্তির চাইরা। তার নাম খোকন দাস(৫০)।তার বাড়ি বাংলাদেশের শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই এলাকায়। ঘটনা শেষ বছরের শেষ রাতে।
সীমান্তের ওপার সূত্রের খবর, পেশায় ঔষধ ব্যবসায়ী খোকন দাস দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার কেহরভাঙ্গা বাজারে ব্যবসা করছেন। সঙ্গে তিনি একটি স্থানীয় ব্যাংকের এজেন্ট ছিলেন। ঘটনার রাত ৯টা নাগাদ দোকন থেকে কাজ সেরে খোকন দাস বাড়িতে ফিরছিলেন।
বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে আচমকা করে ৩ থেকে ৪ জন দুষ্কৃতী খোকনকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। তার সঙ্গে থাকা টাকা – পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই সময় দুষ্কৃতীদের তিনি চিনে ফেলেন।তখন প্রমান লোপাটের জন্য প্রকাশ্যে খোকন দাসের শরীরে এরা পেট্রোল ঢেলে দেয়। এবং আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। তার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে মৌলবাদীরা পিছু হটে।পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করে।
হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে আহত খোকন দাস সাংবাদিকদের জনিয়েছেন , স্থানীয় বাসিন্দা ‘‘বাবুল খাঁর পোলা সোহাগ ছিলো। সামসুদ্দিনের পোলা রাব্বি ছিলো। ওরা তিনজন ছিলো, আমি একজনরে চিনছি। ওদের মধ্যে একজনে আমারে আগুন দিছে।
বাংলাদেশে হিন্দুদের বেঁচে থাকা এক প্রকার দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তাদের জীবনের নেই বিন্দু মাত্র দাম। মুহূর্তে মুহূর্তে মৃত্যু যেন তাদের দিচ্ছে হাতছানি। তারপরেও বাংলাদেশের ইউনূস সরকার হাত গুটিয়ে বসে আছে। ইউনূস পালন করেছেন রুশ সম্রাট নিরোর ভূমিকায়। গোটা বাংলাদেশ আগুনে জ্বলে খাক হয়ে গেলেও ইউনূস বাজাচ্ছেন বাঁশী। হিন্দুদের রক্ত ঝরানো মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে তিনি নিচ্ছে না কোনো কঠোর ব্যবস্থা। তাই উৎসাহ ভরে মৌলবাদীরা ব্যতি ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন হিন্দু নিধন যজ্ঞে।

