সাংগঠনিকভাবে বিপ্লব কুমার দেব বরাবরই একজন দক্ষ সংগঠক, এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ১৮ সালে তাঁর নেতৃত্বের ত্রিপুরা জয়। তারপর হরিয়ানা, দিল্লি,এবার বাংলা।পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যের কৃতিত্বের ভাগীদার হওয়ার পর, রাজ্য বিজেপির অন্দরে তাঁর নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্টার , ৫ মে ।। পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে দলের সহ-প্রভারী হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করার পর রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের ব্যক্তিগত ইমেজ এবং পলিটিক্যাল ওয়েট উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের ধারণা,কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিপ্লব কুমার দেবের গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়ে অনেক বেশি চৌকস হয়েছে।বিশেষ করে বাঙালি প্রধান অঞ্চলে নির্বাচনের হাল ধরায়, ত্রিপুরার রাজনীতিতেও তাঁর প্রভাব নতুন করে অনুভূত হতে পারে। মঙ্গলবার বিপ্লব কুমার দেব বাংলা জয় করে রাজ্যে ফিরে এসেছেন। এদিন এমবিবি বিমান বন্দরে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তাঁর প্রতি বাড়তি উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। যা আগামী দিনে তাঁকে আরও শক্তিশালী জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।
সাংগঠনিক ভাবে বিপ্লব কুমার দেব বরাবরই একজন দক্ষ সংগঠক, এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
সাংগঠনিক ভাবে বিপ্লব কুমার দেব বরাবরই একজন দক্ষ সংগঠক, এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ১৮ সালে তাঁর নেতৃত্বের ত্রিপুরা জয়। তারপর হরিয়ানা, দিল্লি,এবার বাংলা।পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যের কৃতিত্বের ভাগীদার হওয়ার পর, রাজ্য বিজেপির অন্দরে তাঁর নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে তাঁর সংযোগ এবং দিল্লি থেকে পাওয়া ‘গুড বুক’ সার্টিফিকেট—এই দুইয়ের সমন্বয়ে ত্রিপুরায় দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁর মতামতের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে তাঁর সংযোগ এবং দিল্লি থেকে পাওয়া ‘গুড বুক’ সার্টিফিকেট—এই দুইয়ের সমন্বয়ে ত্রিপুরায় দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁর মতামতের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।যা আসন্ন নির্বাচন গুলি বা দলীয় রদবদলে তাঁর হাত আরও শক্ত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সবচেয়ে বড় জল্পনা এখন তাঁর প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে।সংসদীয় রাজনীতিতে এবং প্রতিবেশী রাজ্যে সাংগঠনিক সাফল্যের পর জল্পনা তুঙ্গে যে, বিপ্লব কুমার দেবকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
জাতীয় স্তরের দায়িত্ব দিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব।
আবার অনেকে মনে করছেন, তাঁকে আরও বড় কোনো জাতীয় স্তরের দায়িত্ব দিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। আগরতলা এমবিবি বিমান বন্দরে বিপ্লব কুমার দেব বলেন, “শীর্ষ নেতৃত্বের দেওয়া সব দায়িত্ব তিনি যথাযথ ভাবেই পালন করেন। বাংলাতেও অনেক বড় দায়িত্ব দিয়েছে দল। এই দায়িত্ব কোনো অংশে কম নয়। বরং অনেক বড়।”
সে যাই হোক, বিপ্লব কুমার দেব কি কেবল সাংসদ হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, নাকি তাঁর মুকুটে যুক্ত হবে নতুন কোনো পালক? সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্যের মানুষ।