এবার নন্দীগ্রাম বিধানসভায় মমতার পরাজয়ের স্বপক্ষে কিছুটা যুক্তি থাকলেও ভবানীপুর কেন্দ্রের পরাজয় নিয়ে মমতার কোনো যুক্তিই ধূপে টিকবে না।এবার যেভাবে বলে-বলে রাউন্ড ধরে-ধরে শুভেন্দু হারালেন, তাতে মমতার রাজনৈতিক কেরিয়ারে দাগ হয়ে গেল।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ মে।।
একই অঙ্ক, একই হিন্দুত্বের কৌশল, ভোটের গোড়া থেকেও সেই কৌশল ও অঙ্ক একেবারে প্রকাশ্যে বলে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপরও নিজের পাড়ার বিধানসভায় হেরে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা সম্ভবত মমতার রাজনৈতিক জীবনের সবথেকে বড় অন্ধকারতম অধ্যায় হয়ে থাকল। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালের মতো এবারও নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হন বাংলার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নন্দীগ্রাম বিধানসভায় মমতার পরাজয়ের স্বপক্ষে কিছুটা যুক্তি থাকলেও ভবানীপুর কেন্দ্রের পরাজয় নিয়ে মমতার কোনো যুক্তিই ধূপে টিকবে না।এবার গণনার সময় যেভাবে বলে-বলে রাউন্ড ধরে-ধরে শুভেন্দু হারালেন, তাতে মমতার রাজনৈতিক কেরিয়ারে দাগ হয়ে গেল। আর অন্যদিকে পরপর দু’বার মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে বিজেপিতে ‘লেজেন্ড’ হয়ে গেলেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিশ্চিত হয়ে গেল। তবে অনেক যদি, কিন্তু আছে। শেষ মুহূর্তে বিজেপি চমক দিলে শুভেন্দু’র স্বপ্ন স্বপ্নই থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সমস্ত কাজে বরাবর মাহির বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত বাংলার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্রে ১৫,১১৪ ভোটে পরাজিত হন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে।

