বনগাঁও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। এখানে মমতার নির্দেশে নিয়মিত ঘটতো অনুপ্রবেশ। এরা সবাই মুসলিম সম্প্রদায়ের। ফলে হিন্দুদের বেঁচে থাকা দায় ছিলো। এবার হিন্দুরা নিজেদের রক্ষার্থে ভয় উপেক্ষা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জানিয়েছেন ভগবান।
ডেস্ক রিপোর্টার,৫ মে।। বাংলার সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য বিজেপির বিভিন্ন্ স্তরের নেতারা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন যথাযথ ভাবেই। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের উপর কেন আস্থা রেখেছিলেন,সেটা প্রমাণ করেছে তারা। প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভগবান দাসের দায়িত্ব ছিলো বাংলার বনগাঁও জেলা( সাংগঠনিক) । এই জেলাতে সাতটি আসন। বনগাঁ জেলা প্রবাসীর দায়িত্বে ছিলেন। মোট আসন সাতটি । বনগাঁও উত্তর বিধানসভা , বনগাঁও দক্ষিণ, হরিনঘাটা ,কল্যাণী,বাগদা, স্বরূপ নগর ও গাইঘাটা মূলত বনগাঁওয় ছিলো মমতার ঘাসফুলের গড়। তৃণমূল শিবিরের নির্দেশ ব্যতীত বনগাঁওয়ের গাছ গাছালির একটি পাতাও নড়না এতো দিন। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত বাংলার ভোটে রাজনীতির সমস্ত বীজ গণিত – পাটি গণিত উল্টে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে ঘটি – লোটা ধরিয়ে দেয় স্থানীয় ভোটাররা। বনগাঁও জেলায় বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পাবিয়াছড়া কেন্দ্রের বিধায়ক ভগবান দাস। তৃণমূল কংগ্রেসের ভয়কে উপেক্ষা করে বনগাঁওয়ের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে সামনে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ভগবান। তার রেজাল্টও পেয়েছেন হাতে নাতে। তৃণমূল কংগ্রেসকে করেছেন ক্লিন স্যুইপ।
” বনগাঁওয়ের মানুষ তৃণমূল গুণ্ডাদের ভয়ে ছিলো। প্রতিটি নির্বাচনে মমতার গুণ্ডারা লুট করতো ভোট।
প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পাবিয়াছড়া কেন্দ্রের বিধায়ক ভগবান দাস “জনতার মশাল”কে জানিয়েছেন, ” বনগাঁওয়ের মানুষ তৃণমূল গুণ্ডাদের ভয়ে ছিলো। প্রতিটি নির্বাচনে মমতার গুণ্ডারা লুট করতো ভোট। এবার তাদের ভয় কাটানোর জন্য কাজ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাতেই আসে সাফল্য।
বনগাঁও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। এখানে মমতার নির্দেশে নিয়মিত ঘটতো অনুপ্রবেশ। এরা সবাই মুসলিম সম্প্রদায়ের। ফলে হিন্দুদের বেঁচে থাকা দায় ছিলো। এবার হিন্দুরা নিজেদের রক্ষার্থে ভয় উপেক্ষা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জানিয়েছেন ভগবান।
ভগবান দাসের কথায়, বাংলায় এসআইআর শুরু হতেই মমতার অনুপ্রবেশকারীরা বুঝে যায় এবার তাদের বিপদ আসছে।
ভগবান দাসের কথায়, বাংলায় এসআইআর শুরু হতেই মমতার অনুপ্রবেশকারীরা বুঝে যায় এবার তাদের বিপদ আসছে। মমতা তাদেরকে আর রক্ষা করতে পারবে না। এরপরেই তারা ভয়ে চলে যায় ওপারে। এসআইআর – এ তাদের নাম বাদ যায়। বনগাঁওয়ের জমি শক্ত হয়ে উঠে হিন্দুদের জন্য। নিজের নেতৃত্বের বন গাঁওয়ের এই সাফল্যে আপ্লুত ভগবান দাস। তিনি পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে। সঙ্গে অবশ্যই বনগাওয়ের সমস্ত হিন্দু ভোটারদের।