আমাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটে দেওয়া  ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ইউনিভার্সিটিতে সংঘটিত র‍্যাগিং সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছাত্রদের তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে যেতে। অর্থাৎ এই ছবি থেকে স্পষ্ট টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটিতে র‍্যাগিং- র নামে ধংস হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন। শুধু তাই নয়, র‍্যাগিংকে আস্কারা দিচ্ছেন খোদ অধ্যাপক – অধ্যাপিকা সহ অফিসিয়াল স্টাফরা।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৫ মে ।।
    টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি নিয়ে কি বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা? তাও আবার খোদ রাজ্য রাজনীতির পীঠস্থান বিধানসভায় দাঁড়িয়ে।
        মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেছেন, “তিনিও অবগত টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির পঠন – পাঠনের বেহাল অবস্থা নিয়ে। এবং তিনি নিজেই গিয়ে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির এই বিচ্ছিরি পরিবেশ দেখেছেন। ” কোনো রকম রাগ ঢাক না করেই মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির আদ্য শ্রাদ্ধ করেছেন খুব ভালো ভাবেই।
       লোকমুখে শোনা যায়,  টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা বিভিন্ন্ মহলে নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বলে দাবি করেন। তিনি বুঝানোর চেষ্টা করেন, ইউনিভার্সিটি যাহার নামে গেলেও তাকে কেউ কিছু বলবে না। কারণ তিনি মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আসলে পুরোটাই ভিসি  প্রফেসর রতন কুমার সাহার লোক দেখানো বুলি! তাঁর কথা যে কতটা অবাস্তব, এটা  প্রমাণ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা নিজেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলছেন, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির দুর্গন্ধময় অবস্থার কথা।

টেকনো ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা।

শুধু তাই নয়, র‍্যাগিংকে আস্কারা দিচ্ছেন খোদ অধ্যাপক – অধ্যাপিকা সহ অফিসিয়াল স্টাফরা।

আমাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটে দেওয়া  ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ইউনিভার্সিটিতে সংঘটিত র‍্যাগিং সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছাত্রদের তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে যেতে। অর্থাৎ এই ছবি থেকে স্পষ্ট টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটিতে র‍্যাগিং- র নামে ধংস হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন। শুধু তাই নয়, র‍্যাগিংকে আস্কারা দিচ্ছেন খোদ অধ্যাপক – অধ্যাপিকা সহ অফিসিয়াল স্টাফরা।

তিনি ইউনিভার্সিটির পদস্থ আধিকারিক।ছাত্রদের কুকুর – ছাগল বলে আখ্যায়িত করেছেন!

ছাত্ররা স্পষ্ট ভাবেই বলে, “অধ্যাপক অমরজিৎ কর্মকার র‍্যাগিংকে সাপোর্ট করছেন। “

র‍্যাগিং ইস্যুতে ইউনিভার্সিটির ছাত্র – ছাত্রীরা চেপে ধরেছিলো আইন বিষয়ক বিভাগের প্রধান অর্থাৎ HOD অধ্যাপক অমরজিত কর্মকারকে। তিনি ছাত্রদের কোনো কথার উত্তরই দিতে পারেন নি। বরং এই অধ্যাপককে বেইজ্জতি করে ছাড়েন ন্যায্য বিচার চাওয়া ছাত্ররা। ছাত্ররা স্পষ্ট ভাবেই বলে, “অধ্যাপক অমরজিৎ কর্মকার র‍্যাগিংকে সাপোর্ট করছেন। “

প্রফেসর অমরজিৎ কর্মকার।

ঘটনা সম্পর্কে অবগত ইউনিভার্সিটি রেজিস্টার নিজেও।

শেষ পর্যন্ত এই ঘটনার জল গড়ায় ইউনিভার্সিটি ডিনের দরবারেও। কিন্তু তিনিও সুরাহা করতে পারেন নি। তা স্পষ্ট হয়েছে র‍্যাগিং- এ নির্যাতিত একজন ছাত্র ও তার অধ্যাপিকা কথোপকথনের মাধ্যমে। ঘটনা সম্পর্কে অবগত ইউনিভার্সিটি রেজিস্টার নিজেও। বলেছেন, ছাত্রদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে যাওয়া অধ্যাপিকা। তিনি  বিচার না করে বরং ছাত্রদের সঙ্গে পাল্টা হুমকির সুরে কথা বলছেন।

এই অধ্যাপিকাও নাকি ছাত্রদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ ছাত্রদের।

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির এই সমস্ত নোংরামি প্রকাশ্যে আসাতে নতুন করে কোনো ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হতে চাইছে না।

আমাদের এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটে দেওয় ছবি থেকে স্পষ্ট টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটিতে কি চলছে? বাস্তব অর্থে এই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনার কোনো পরিবেশই নেই। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা এখন আতঙ্কের প্রহর গুনছে তাদের ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে। টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির এই সমস্ত নোংরামি প্রকাশ্যে আসাতে নতুন করে কোনো ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হতে চাইছে না। তারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। ভিসি প্রফেসর রতন সাহা পরিচালিত টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির আসল চরিত্র কেমন? তার ভাণ্ড তো ফাটিয়েছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা নিজেই।টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির বহু দুর্নীতির দলিল এসেছে জনতারমশাল- র হাতে। আমরা ধারাবাহিক ভাবে সমস্ত দুর্নীতি উন্মোচন করবো। আমাদের  হাতে রাজ্যের পূর্বতন বাম সরকারের জামানায় ফিসারি কলেজের দুর্নীতির তথ্যও। তাই সাধু সাবধান!( চলবে)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *