সম্প্রতি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সঙ্গে  র‍্যাগিং  ইস্যুতে বড়সড় ঝামেলা হয়েছিল। ছাত্ররা প্রকাশ্যে বলেছে, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি সম্পূর্ণ একটি অপরাধের কারখানা। এখানে ছাত্রদের উপর চলে র‍্যাগিং। তার জন্য ছাত্ররা সরাসরি দায়ী করেছেন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের HOD অমরজিৎ কর্মকারকে।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ মে।।
     টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির বেহাল অবস্থা নিয়ে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ খুলেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে ইউনিভার্সিটিতে দাঁড়িয়ে ছাত্ররা তোলেছিলো র‍্যাগিং – র অভিযোগ। তারপরও নিশ্চুপ কেন পুলিশ প্রশাসন ও রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তর ? প্রশ্ন উঠছে জনমনে। তাহলে কি অপরাধ ধাপাচাপা দিয়ে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ টেবিলের নিচে দিয়ে খেলা শুরু করে দিয়েছে?”

Table of Contents

‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির কি দুর্দশা আমি দেখেছি’: মুখ্যমন্ত্রী।

ছাত্ররা প্রকাশ্যে বলেছে, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি সম্পূর্ণ একটি অপরাধের কারখানা। এখানে ছাত্রদের উপর চলে র‍্যাগিং।

সম্প্রতি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সঙ্গে  র‍্যাগিং  ইস্যুতে বড়সড় ঝামেলা হয়েছিল। ছাত্ররা প্রকাশ্যে বলেছে, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি সম্পূর্ণ একটি অপরাধের কারখানা। এখানে ছাত্রদের উপর চলে র‍্যাগিং। তার জন্য ছাত্ররা সরাসরি দায়ী করেছেন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের HOD অমরজিৎ কর্মকারকে। 

প্রফেসর অমরজিৎ কর্মকার

থানাদার পরিতোষ দাস নিজেই ইউনিভার্সিটির র‍্যাগিং বিরোধী কমিটির একজন সদস্য।

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের এই মারাত্বক অভিযোগের পরেও হাত গুটিয়ে বসে আছে পুলিশ প্রশাসন। “টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি আমতলী থানা এলাকায়। থানাদার পরিতোষ দাস নিজেই ইউনিভার্সিটির র‍্যাগিং বিরোধী কমিটির একজন সদস্য। ইউনিভার্সিটির র‍্যাগিং ইস্যুর জল গড়িয়েছে থানা পর্যন্তও। তারপরও কেন নিশ্চুপ আমতলী থানার ওসি পরিতোষ দাস? তিনি ইচ্ছা করলেই স্বত: প্রণোদিত মামলা দায়ের করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পারতেন। কিন্তু ওসি পরিতোষ দাস, সেদিকে পা মাড়ান নি। তাহলে কোথায় চলছে গোপন খেলা?”
      

পরিতোষ দাস( ওসি, আমতলী)।

দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মনের কাছে কি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির র‍্যাগিং সংক্রান্ত খবর পৌঁছায় নি?

একই ভাবে রহস্য জনক ভাবে নিশ্চুপ রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মনের কাছে কি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির র‍্যাগিং সংক্রান্ত খবর পৌঁছায় নি? র‍্যাগিং- র কবলে পড়ে ইউনিভার্সিটিতে পাঠরত কোনো ছাত্রের ভবিষ্যত যদি নষ্ট হয় তার দায় দেবে কে? এই প্রশ্ন অভিভাবকদের।
    


ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা নাকি বলছেন সব ম্যানেজ হয়ে যাবে। কোনো চিন্তা নেই।

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি চত্বরে কান পাতলেই শোনা যায়, ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা নাকি বলছেন সব ম্যানেজ হয়ে যাবে। কোনো চিন্তা নেই। কিন্তু এতো বড় ঘটনা তিনি কিভাবে ম্যানেজ করবেন?

।ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা।

ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা নাকি বাতাসে বলে বেড়ান, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়!

অবশ্যই লোকমুখে শোনা যায়, ভিসি প্রফেসর রতন কুমার সাহা নাকি বাতাসে বলে বেড়ান, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়! প্রশ্ন উঠছে তাহলে মুখ্যমন্ত্রী কেন খোদ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রতন কুমার সাহা পরিচালিত টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির দুর্গন্ধময় পরিস্থিতির ভান্ড ফাঁস করলেন?


সত্যম রায় চৌধুরীর স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি এখন পরিণত হয়েছে অপরাধের আখড়ায়।

বাস্তব অর্থে অনেক স্বপ্ন নিয়ে কলকাতার বাসিন্দা সত্যম রায় চৌধুরী রাজ্যে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি গড়ে তুলেছিলেন তিন বছর আগে। কিন্তু তিনি সঠিক ভাবে নজর না দেওয়াতে সত্যম রায় চৌধুরীর স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি এখন পরিণত হয়েছে অপরাধের আখড়ায়।

সত্যম রায় চৌধুরী ( কর্নধার, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি)

টেকনো ইন্ডিয়া  ও ইউনিভার্সিটির নিয়ে নানান কেচ্ছা এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে।

অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের। টেকনো ইন্ডিয়া  ও ইউনিভার্সিটির নিয়ে নানান কেচ্ছা এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে। আমরা তা তুলে ধরবো ধারাবাহিক ভাবেই। প্রসঙ্গত, রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে জড়িত জনা দুয়েক ব্যক্তি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির দুর্নীতিকে মাটি দিয়ে চাপা দিতে অতিরিক্ত খাটা খাটুনি করছেন।তাদের মুখ ও মুখোশও খুব সহসাই উন্মোচন করবো আমরা।( চলবে)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *