এদিনের বৈঠকে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে একগুচ্ছ দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৬ মে।।
        ত্রিপুরার সার্বিক উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো গত রূপান্তরকে আরও গতিশীল করতে নতুন দিল্লিতে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকারে মিলিত হলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। বৈঠককালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে পবিত্র ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির এবং নবনির্মিত মন্দির চত্বরের প্রতিচ্ছবি সম্বলিত একটি আকর্ষণীয় ফটো ফ্রেম স্মারক হিসেবে তুলে দেন।
    এদিনের বৈঠকে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে একগুচ্ছ দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো,রাজ্যে একটি নতুন এইমস (AIIMS) স্থাপন।  কমলপুর থেকে শান্তিরবাজার পর্যন্ত জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ।
রাজ্যে রেললাইনের ডাবল ট্র্যাকিং এবং বহুল প্রতীক্ষিত বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা।প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ।দুগ্ধজাত শিল্পের সামগ্রিক বিকাশ।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার’ আওতায় রাজ্যে আরও অতিরিক্ত ঘর বরাদ্দ করা,একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল-এর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ব্রু জনগোষ্ঠীর জন্য অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনায় রেশন কার্ডের সংখ্যা বাড়ানো। ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়ন, পর্যটন ক্ষেত্রের বিকাশ, অর্থ দপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং রাজ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের বরাদ্দ বৃদ্ধি।বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করে জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগামী দিনে ত্রিপুরার জনকল্যাণ ও সার্বিক উন্নয়ন আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে।
       রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই দিল্লি সফর এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই ইতিবাচক বৈঠক আগামী দিনে ত্রিপুরার একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *