সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়।তিনি বলেন, বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে অন্ত্যোদয় পরিবারের কন্যাদের বিবাহে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। নবজাতক কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এই প্রকল্পের আওতায় সরাসরি শিশুর নামে ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করে দেওয়া হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্টার,৯ জুন।।
          সমাজের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সার্বিক উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে ঘোষিত চারটি নতুন সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন ইতিপূর্বেই শুরু হয়ে গেছে। মঙ্গলবার মহাকরণে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়।তিনি বলেন, বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে অন্ত্যোদয় পরিবারের কন্যাদের বিবাহে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে।দ্বিতীয়তঃ নবজাতক কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এই প্রকল্পের আওতায় সরাসরি শিশুর নামে ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করে দেওয়া হচ্ছে।তৃতীয়তঃ মানসিক প্রতিবন্ধী, মানসিক অসুস্থতা এবং সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য চালু হওয়া এই বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৩,৪৯২ জনকে মাসিক ৫,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
চতুর্থত,মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানসিক বিকাশ ও বিনোদনের জন্য ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি অত্যাধুনিক রিক্রিয়েশন সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।পঞ্চমত,রাজ্যে বর্তমানে ২০,০২৭ জন দিব্যাঙ্গ ব্যক্তি মাসিক ২,০০০ টাকা হারে সামাজিক ভাতা পাচ্ছেন।
     সেইসাথে তিনি জানান,রাজ্যের শিশুশিক্ষা ও পুষ্টি ব্যবস্থার পরিকাঠামো আমূল বদলে দিতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।যার মধ্যে রয়েছে রাজ্যের ১০০টি অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যম মডেল কেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়েছে।পরিকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ৫৬২টি কেন্দ্রকে ‘সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ী’ হিসেবে উন্নীত করা হয়েছে।জনজাতি এলাকাগুলোতে নতুন অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র চালুর পাশাপাশি শিশুদের জন্য স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ চলছে।
        তাছাড়া নারী ক্ষমতায়ন ও শিশু সুরক্ষায় সরকারের সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, বাইরে কাজ করতে আসা মহিলাদের আবাসন সমস্যার সমাধানে রাজ্যজুড়ে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি নতুন ওয়ার্কিং উইমেন হোস্টেল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।এছাড়াও রাজ্যে নতুন শিশু আবাস নির্মাণ, মাতৃকল্যাণ এবং সামাজিক পেনশন প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষাধিক মানুষকে ধারাবাহিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *