অভিষেক দেবরায়ের নেতৃত্বাধীন প্রদেশ বিজেপির নতুন কমিটি ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনায় সরব হন এডিসির প্রাক্তন এমডিসি পদ্মলোচন। পদ্মলোচনের বক্তব্য, “রাজ্যের জনজাতিদের মধ্যে ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের লোকজনের সংখ্যা বেশি। তারপরও প্রদেশ কমিটিতে ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি নেই। ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের এতো দ্বিচারিতা কেন?”

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ জুলাই।।
     প্রদেশ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা দিতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জিহাদ আঁচড়ে পড়ে দলের জনজাতি নেতা পদ্মলোচন ত্রিপুরার। তিনি সরাসরি প্রদেশ বিজেপির নেতৃত্বের প্রতি কামান দাগান। ফল স্বরূপ দল থেকে সাময়িক বরখাস্তও হন ।প্রদেশ বিজেপির প্রতি পদ্মলোচন ত্রিপুরার এতো ক্ষোভ কেন?
      অভিষেক দেবরায়ের নেতৃত্বাধীন প্রদেশ বিজেপির নতুন কমিটি ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনায় সরব হন এডিসির প্রাক্তন এমডিসি পদ্মলোচন। পদ্মলোচনের বক্তব্য, “রাজ্যের জনজাতিদের মধ্যে ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের লোকজনের সংখ্যা বেশি। তারপরও প্রদেশ কমিটিতে ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি নেই। ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের এতো দ্বিচারিতা কেন?”


            সমাজ মাধ্যমে শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি পদ্মলোচনের একের পর এক ফায়ারের পর দল তাঁকে সাবধান করেছিল। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত এডিসি নির্বাচনে বিজেপির প্রথম সারির নেতা পদ্ম শীর্ষ নেতৃত্বের সতর্ক বার্তাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি কাজ চালিয়ে যান। এরপরেই বেঁকে বসেন প্রদেশ বিজেপির দণ্ডমুন্ডের কর্তারা। এবং তাকে দল থেকে বহিস্কার করে।

        পদ্মলোচন ত্রিপুরা দল থেকে বহিষ্কারের পর প্রশ্ন তুলেন, ” যাদের কারণে এডিসি নির্বাচনে দলের পরাজয় হয়েছে তাদের কেন বহিষ্কার করা হয় নি?


    পদ্মলোচন ত্রিপুরার এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর সম্ভাবনা দেবে না বিজেপি। বা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করছেন না মানিক – অভিষেক জুটি। এটা দলের অন্তিম সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট। পাহাড় রাজনীতিতে গুঞ্জন, এই মুহূর্তে পদ্মলোচন ত্রিপুরার মূল ভর কেন্দ্র হয়ে উঠছেন তিপ্রামথার প্রধান প্রদ্যুৎ কিশোর। ইতিমধ্যে নাকি প্রদ্যুৎ শিবির থেকে ডাক পড়েছে পদ্মলোচনের। খুব শীঘ্রই তিনি যোগ দিতে চলছে আনারস বাগানে। এই জন্যই সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির বিরুদ্ধে পদ্মলোচন ত্রিপুরার রাজনৈতিক বোম্বিং আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। এখন দেখার বিষয় অভিমান ভেঙে পদ্মলোচনকে বিজেপি দলে ফিরিয়ে আনে কিনা, নাকি প্রদ্যুৎ তাকে তুলে নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করে  অস্ত্র হিসাবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *