ডেস্ক রিপোর্টার, ২ সেপ্টেম্বর।।
      কৈলাসহরে সরকারি দপ্তরে টেন্ডার জমা কেন্দ্র করে ঠিকাদারকে হত্যার চেষ্টা। প্রশাসনের দ্বারস্থ নির্যাতিত ঠিকাদার। তার নাম দেবাংশু দাস। তার অভিযোগ, স্থানীয় নিগোসিয়েশন কারবারিরা তাকে বেশ কয়েকবার হত্যার চেষ্টা করেছে। অবশ্যই বরাত জুড়ে বারবার সে বেঁচে গিয়েছে।
    দেবাংশু দাসের অভিযোগ, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি প্রথম পিডব্লিউডিতে টেন্ডার জমা দেওয়ার পর থেকেই চণ্ডীপুরের কিছু নিগো মাফিয়া তার পিছনে লেগেছে। তার দাবি, পি ডব্লিউ ডি অফিস, এক্সিস ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন জায়গায় তাকে প্রাণে মারার জন্য আক্রমণ করা হয়। কোনোমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। একবার স্থানীয় বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা তাকে আক্রমণের হাত থেকে উদ্ধার করেছেন ।
   সম্প্রতি ২৯ জুন  কুমারঘাটের ডি ডব্লিউ এস অফিসের এ সি কমপ্লেক্সেও তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। সেখান থেকেও তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।দেবাংশু দাস জানান, গত ২৩ জুলাই  ওয়াটার রিসোর্স দপ্তরে একটি টেন্ডার জমা দেন এবং টেন্ডারটি তিনি পান। এরপর থেকেই অভিযুক্ত নিগো মাফিয়ারা তার বাড়ির সামনে, ওয়াটার রিসোর্স অফিসের সামনে এবং ব্যাংকেও পাহারা দিচ্ছে যাতে তিনি কোনো অফিসিয়াল কাজ করতে না পারেন। ওয়াটার রিসোর্স’র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রণজয় দেববর্মার উপস্থিতিতেও অফিসে মাফিয়ারা দখল করে আছে বলে তার অভিযোগ।আরও গুরুতর অভিযোগ, তিনি একটি রেজিস্ট্রি চিঠির মাধ্যমে ব্যাংকের অরিজিনাল ডিমান্ড ড্রাফট ওয়াটার রিসোর্স অফিসে পাঠিয়েছিলেন। পোস্ট অফিসের ট্র্যাকিং অনুযায়ী চিঠিটি ১৪ তারিখ ডেলিভারি হয়েছে, কিন্তু এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার তা অস্বীকার করছেন। দেবাংশু দাসের অভিযোগ, ওই ডিমান্ড ড্রাফটটি নিগো মাফিয়ারা অফিস থেকেই নিয়ে গেছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই ঘটনায় কৈলাসহর থানা, ঊনকোটি জেলার পুলিশ সুপার এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে একাধিক মামলা দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।দেবাংশু দাসের আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, অভিযুক্ত মাফিয়ারা সময়ে-অসময়ে রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী টিংকু রায়ের সাথে থাকেন এবং তার নাম ভাঙিয়ে মাফিয়া রাজ কায়েম করেছেন। তার দাবি, কৈলাসহরের আইন-শৃঙ্খলা পুলিশ প্রশাসন চালাচ্ছে না, চালাচ্ছে মন্ত্রীর নাম ব্যবহারকারী কিছু মাফিয়া।এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি খুব শীঘ্রই ত্রিপুরা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *