ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ সেপ্টেম্বর।।
অসুস্থ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কড়া ওষুধ কিনে খাওয়ার দিন এবার শেষ হতে চলেছে। কাউন্টার বিক্রি বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রিতে সম্পূর্ণ লাগাম টানতে কঠোর নীতি আনছে কেন্দ্রের মোদী সরকার।এই অবস্থায় ঔষধ বিক্রিতে একাধিক বদল আসছে।
দেশের প্রতিটি ওষুধের দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সিসিটিভি নজরদারির আওতায় ছাড়া কোনও ওষুধ বিক্রি করা যাবে না।ফার্মাসিস্টকে প্রতিটি প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ বিক্রি করতে হবে।
পুরো প্রক্রিয়া ক্যামেরার রেকর্ডিং ও ডিজিটাল পোর্টালে নথিভুক্ত রাখতে হবে।ড্রাগ ইনস্পেক্টর ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নিয়মিত দোকানে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ ও বিক্রির বিবরণ পরীক্ষা করবেন।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কেন এই কঠোর সিদ্ধান্ত?
প্রথমতঃ, চিকিৎসকের অনুমোদন ছাড়া যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ফলে শরীরে ‘ওষুধ প্রতিরোধী’ জীবাণু তৈরি হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
দ্বিতীয়ত, শ্যাডি বা বেআইনি ফার্মেসি থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়া সিডেটিভ ও ব্যথানাশক ওষুধ কিনে নেশার সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা।
তৃতীয়তঃ, সিসিটিভি ফুটেজ থাকলে ট্র্যাকিং সহজ হবে, ফলে নকল ওষুধ বিক্রি অনেকাংশে কমানো যাবে।
কেন্দ্রের নয়া নিয়মে প্রথম দিকে ক্রেতা ও খুচরো বিক্রেতা উভয়েরই কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, তবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রুখতে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে চলেছে।

