ডেস্ক রিপোর্টার,২৯ সেপ্টেম্বর।।
আর কিছুদিন পরে শারদোৎসব। গোটা রাজ্য এখন উৎসব আবহে নিমজ্জিত। এই উৎসব আবহেই প্রশ্ন উঠছে তিলোত্তমা আগরতলার পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। রাতের শহরে থাকে না ট্রাফিক। কিন্ত কোথায় থাকে পুলিশ? অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে চক্কর কাটছে শহরে। কিন্তু মুখে আঙুল চুষছে রাজধানীর বাঘা বাঘা নামধারী পুলিশ কর্তারা?
কেন আমরা একথা বলছি? এই প্রতিবেদনে খোলসা করব আমরা। তাও আবার তথ্য প্রমাণ দিয়ে।
তাজ্জব ঘটনা। রবিবার রাতের আগরতলায় বারবার একটি সাদা রঙের বিলাশ বহুল গাড়িকে চক্কর কাটতে দেখা যায়। তাতে অবশ্যই নেই কোনো সমস্যা। কিন্তু গাড়িতে দেখা যায়, যে স্থানে নম্বর প্লেট থাকার কথা, সেখানে লাগানো আছে একটি নাম – সুশান্ত। কত বড় অপরাধ? গাড়ির নম্বর প্লেট লাগানোর জায়গাতে একজনের নামের প্লেট লাগিয়ে রেখেছে।
গাড়িটি আগরতলা শহরের হাই সিকিউরিটি জোন আই জি এম চৌমুহনী, অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি আবাস লাগোয়া রাস্তার বুক চিড়ে চলাচল করছে। কখনও গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে আইজিএম- র সামনে। কিন্তু ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী গাড়িটি নজর পড়ছে না ট্রাফিক দপ্তর সহ রাতের শহরে টহলরত উর্দি ওয়ালদের। কি অবাক ঘটনা?
রাতের শহরে এই গাড়ি কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে, পুলিশ কিভাবে সনাক্ত করবে? কারণ অপরাধীরা অপরাধ সংঘটিত করে সুশান্ত লেখা প্লেট সরিয়ে , কোনো নম্বর প্লেট লাগিয়ে দিলে কি করবে পুলিশ? নিশ্চিত ভাবে অপরাধীরা অপরাধ সংঘটিত করে পগার পার হয়ে যাবে।অন্ধকারে হাতড়াবে পুলিশ।
রাজধানীতে থাকা সিসি ক্যামেরাগুলি কি মুক ও বধির? সিসি ক্যামেরাতে কি সুশান্ত লেখা গাড়ির ফুটেজ দেখতে পারছেন না সিস্টেমের সার্ভারের সামনে বসে থাকা পুলিশের আইটি বিভাগের লোকজন? নাকি সবাই আচ্ছন্ন নিশি ঘুমে? উঠছে প্রশ্ন।
গাড়ির মালিক কেন নম্বর প্লেটের জায়গায় সুশান্ত নামটি লিখে রেখেছে? কি তার উদ্দেশ্য। নিছক মজা করার জন্য। নাকি তার পেছনে রয়েছে বড় কোনো নাশকতা মূলক উদ্দেশ্য? এই সব প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই নেই পুলিশের কাছে। কবে পুলিশ গাড়িটিকে আটক করবে? এবং নিয়ে আসবে জন সন্মুখে? এই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় শহরের মানুষ।
Oplus_16908288