যোগেন্দ্রনগর মহাশক্তি রোডের রামকৃষ্ণ সংঘের সম্পাদক নীতীশ ঘোষ জানিয়েছেন, গোটা অঞ্চলের শিশুদের সংস্কৃতি মনোভাবাপন্ন করে তোলার জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ অবৈতনিকভাবে আবৃত্তি ও সঙ্গীত প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। এই মুহূর্তে আশ্রমে আবৃত্তির প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ৪১ জন শিশু। এবং সঙ্গীতের তালিম নিচ্ছে ২০ জন শিশু।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ জুন।।
“কোলাহলহীন শান্ত নীড়ে, বাজে সেবার সুর,দুঃখী জনের মুখে হাসি ফোটে, মুছে যায় আঁধার ঘোর।‘জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’—এই মহামন্ত্রে দীক্ষিত আজ, মানব সেবার এই ঘর।”
রবীন্দ্র – নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে রবিবার এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে যোগেন্দ্রনগর মহাশক্তি রোডের রামকৃষ্ণ সংঘ আশ্রম।গানে কথায় কবিতায় রবীন্দ্র- নজরুল- জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ছিলো কচি-কাচাদের ভিড়। এই সংস্কৃতির সন্ধ্যায় আবৃত্তি, সঙ্গীত পরিবেশন করে খুঁদে শিল্পীরা। সঙ্গে অবশ্যই খুঁদে শিল্পীদের অভিভাবকরা পরিবেশন করেন সঙ্গীত।
যোগেন্দ্রনগর মহাশক্তি রোডের রামকৃষ্ণ সংঘের সম্পাদক নীতীশ ঘোষ জানিয়েছেন, গোটা অঞ্চলের শিশুদের সংস্কৃতি মনোভাবাপন্ন করে তোলার জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ অবৈতনিকভাবে আবৃত্তি ও সঙ্গীত প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। এই মুহূর্তে আশ্রমে আবৃত্তির প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ৪১ জন শিশু। এবং সঙ্গীতের তালিম নিচ্ছে ২০ জন শিশু। এলাকায় এক উন্নত সংস্কৃতি অঙ্গন তৈরি করার জন্যই আশ্রম কর্তৃপক্ষের এই প্রচেষ্টা।
আশ্রম সম্পাদকের কথায়, তারা কাজ করেন সমাজের দুস্থ মানুষদের জন্যও। আশ্রমের পক্ষ থেকে অবৈতনিকভাবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ফ্রি কোচিং চালু করা হয়েছে। এই রামকৃষ্ণ সংঘ আশ্রমটি মূলত পরিচালিত হয় বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ আশ্রমের ভাব ধারায়।
রামকৃষ্ণ সংঘ আশ্রমের এদিনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন আশ্রমের সহ-সভাপতি সুকুমার চন্দ্র দাস ও রবীন্দ্র গবেষক মীনাক্ষী ভট্টাচার্য সহ আরো অনেক গুণী জন।

