ডেস্ক রিপোর্টার, ১২ সেপ্টেম্বর।।
      শিশু কন্যা মনোশ্রী চৌধুরীর চিকিৎসার নামে কোটি কোটি আর্থিক কেলেঙ্কারি! এই কেলেঙ্কারির তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে খোদ রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মনোশ্রী চৌধুরী এসএমএ (স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি) টাইপ ১ নামক একটি জেনেটিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলো। দেশের অর্থ মন্ত্রক মনোশ্রী চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিল। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুরোধে টাটা ট্রাস্ট শিশুটির চিকিৎসার জন্য ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছিলো। এছাড়াও রাজ্য ও বহিঃ রাজ্যের বহু মানুষ দুই হাত ভরে মনোশ্রীর চিকিৎসার জন্য টাকা দিয়েছে।


তথ্য অনুযায়ী, এই টাকার পরিমাণ ১০ কোটি টাকারও অধিক।আসাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল (ডিব্রুগড়) মনোশ্রী চৌধুরীর চিকিৎসা হয়। এই চিকিৎসা ক্ষেত্রে খরচ হয় মাত্র ২.২৯ লক্ষ টাকা।ডিব্রুগড়ের সেন্টার অফ এক্সিলেন্স মনোশ্রীকে ঔষধ সরবরাহ করেছিল। তারাই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের হাতে তুলে দিয়েছে মনোশ্রীর চিকিৎসার মোট খরচের টাকার অঙ্ক। মনোশ্রীর একটি ” ইনজেকশনে”র (জোলগেনসমা’ -Zolgensma) কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন মনোশ্রীর মা – বাবা সহ শহরের গ্র্যান্ডডিওজ এলাকার বাসিন্দা রাজা সাহা।


চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ” এই ইনজেকশন এখন মনোশ্রীর জন্য প্রয়োজন নেই”। প্রশ্ন উঠছে কিসের ভিত্তিতে, কার পকেট ভরাট করতে সাধারণ মানুষের ” মানবিক” মুখ গুলিকে নিয়ে ছেলে খেলা করা হয়েছে।

রাজা সাহা,

রাজ্য সরকার কি তার একটা বিহিত করবে। মনোশ্রীর নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কত টাকা সংগ্রহ করেছে মনোশ্রীর মা – বাবা রাজা সাহা? রহস্য উন্মোচন করতে প্রয়োজন উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত।( আসছে বিস্তারিত…)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *