ডেস্ক রিপোর্টার,২০ আগস্ট।।
              গরম ও বর্ষাকাল এলে মশার উপদ্রব এবং সেই সঙ্গে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া বা চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।তবে মশা কেন মানুষের রক্ত চোষে?
    সব মশা মানুষের রক্ত খায় না, কেবল স্ত্রী মশা রক্ত চোষে। পুরুষ মশা কখনোই মানুষকে কামড়ায় না।স্ত্রী মশার ডিম পাড়ার জন্য এবং ডিমের পুষ্টি জোগাতে বিশেষ কিছু প্রোটিন ও আয়রনের প্রয়োজন হয়। মানুষের বা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্তে এই প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো প্রচুর পরিমাণে থাকে।পুরুষ ও স্ত্রী—উভয় প্রজাতির মশাই তাদের দৈনন্দিন জীবন ধারণ এবং শক্তির জন্য উদ্ভিদের রস, ফুলের মধু বা ফলের মিষ্টি রস খেয়ে বেঁচে থাকে। কিন্তু ডিম উৎপাদন ও বংশবৃদ্ধির সময় এলেই স্ত্রী মশার রক্তের প্রয়োজন পড়ে।
মশা কীভাবে শিকার খুঁজে নেয়?প্রথমতঃ মানুষ যখন শ্বাস ছাড়ে, তখন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়। মশা প্রায় ৫০ মিটার দূর থেকেই এই গ্যাসের গন্ধ পেয়ে মানুষের অবস্থান টের পায়।দ্বিতীয়তঃ মানুষের শরীরের তাপমাত্রা এবং ঘামে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া ও অন্যান্য রাসায়নিক যৌগ মশাকে আকৃষ্ট করে।তৃতীয়তঃ গবেষণায় দেখা গেছে, ত্বক থেকে নিঃসরিত কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক তরল বা রাসায়নিকের গন্ধে মশা অন্যদের তুলনায় নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে বেশি কামড়ায়।সংক্ষেপে বলতে গেলে, বেঁচে থাকার জন্য নয়, বরং কেবল প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং বংশবৃদ্ধির তাগিদেই স্ত্রী মশা মানুষের রক্ত খেয়ে থাকে।











     


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *