Oplus_16908288

ঐতিহাসিক সত্য তুলে ধরে প্রদেশ বিজেপির সভাপতি বলেন, ” চাকলার রোশানাবাদ ছিলো অবিভক্ত ভারতের অংশ।এই অংশে ছিলো ত্রিপুরার রাজাদের জমিদারি। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হিন্দু বাঙালিরা দেশ ভাগের সময় ত্রিপুরায় আসে।তাই তারা শরণার্থী নয়। তারা উদ্বাস্তু।দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে বাসস্থান গড়ে তোলে তারা”।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১৯ আগস্ট।।
         মহা ধুমধামে বুধবার রাজ্য জুড়ে পালিত হয় আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যের ১১৮ তম জন্মজয়ন্তী। সরকারি – বেসরকারি ভাবেই দিনটি উদযাপন করা হয়। শাসক দল বিজেপির গোটা রাজ্যে পালন করে বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যের জন্মদিন। বুথ থেকে মণ্ডল, জেলা থেকে প্রদেশ স্তরে। এবং বিজেপির সাতটি মোর্চার সংগঠনও মহারাজা বীর বিক্রমের জন্মদিন পালন করেছে।

অনুষ্ঠানে আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায় ও বড়জলা মন্ডলের  সভাপতি রাজীব ঘোষ।

      এদিন   ৪ – বড়জলা বিধানসভার পুরাতন এয়ারপোর্ট অর্থাৎ পূর্বের সিঙ্গারবিলে ঘটা করে বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যের জন্মদিন পালন করা হয়। উদ্যোক্তা প্রদেশ বিজেপির জনজাতি মোর্চা। বড়জলা বিধানসভায় মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যের ১১৮ তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায় ও সংশ্লিষ্ট মন্ডলের নতুন মন্ডল সভাপতি রাজীব ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, জনজাতি মোর্চার রাজ্য সভাপতি অভিজিৎ দেববর্মা সহ প্রদেশ, জেলা ও মণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীরা।


একজন শাসক হিসাবে বীর বিক্রম কতটা দক্ষ ছিলেন? এবং তাঁর সুদূর প্রয়াসী চিন্তাভাবনার দিক গুলি তুলে ধরেন।

         প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায় মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্মদিনে তাঁর   প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই ভাবে মণ্ডল সভাপতি রাজীব ঘোষ সহ উপস্থিত বিজেপির সমস্ত স্তরের নেতা – কর্মী – সমর্থকরা মহারাজার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

                আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায় তাঁর বক্তব্যে মহারাজার স্মৃতি রোমন্থন করেন। এবং একজন শাসক হিসাবে বীর বিক্রম কতটা দক্ষ ছিলেন? এবং তাঁর সুদূর প্রয়াসী চিন্তাভাবনার দিক গুলি তুলে ধরেন।


হিন্দু বাঙালিরা দেশ ভাগের সময় ত্রিপুরায় আসে।তাই তারা শরণার্থী নয়। তারা উদ্বাস্তু।

 এদিন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায় তার বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন এক ঐতিহাসিক সত্য। রাজ্যে বসবাসকারী হিন্দু বাঙালিদের বারবার শরণার্থী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছে, বিশেষ একটা মহল।  এর প্রেক্ষিতে ঐতিহাসিক সত্য তুলে ধরে প্রদেশ বিজেপির সভাপতি বলেন, ” চাকলার রোশানাবাদ ছিলো অবিভক্ত ভারতের অংশ।এই অংশে ছিলো ত্রিপুরার রাজাদের জমিদারি। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হিন্দু বাঙালিরা দেশ ভাগের সময় ত্রিপুরায় আসে।তাই তারা শরণার্থী নয়। তারা উদ্বাস্তু।দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে বাসস্থান গড়ে তোলে তারা।”

চাকলার রোশানাবাদের ম্যাপ

তারপরও কেন ত্রিপুরাতে বসবাসকারী হিন্দু বাঙালিদের পিঠে বিদেশি, ওয়ানসা, শরণার্থী তকমা লাগাতে হচ্ছে?

        সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা একই সুরে তুলে ধরেছিলেন চাকলা রোশনাবাদের ঐতিহাসিক তথ্য। একই পথে হাটলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায়ও। এটাই বাস্তব সত্য। এটাই বলছে দীর্ঘ বছরের ইতিহাস। তারপরও কেন ত্রিপুরাতে বসবাসকারী হিন্দু বাঙালিদের পিঠে বিদেশি, ওয়ানসা, শরণার্থী তকমা লাগাতে হচ্ছে? এখন এই অপবাদ ঘুছানোর মোক্ষম সময় বলে মনে করছেন রাজ্যের সুষ্ঠ মিশ্র সংস্কৃতির সৃজনশীল ও মুক্তমনা মানুষ জন।



  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *