“আমি নিশ্চিত, যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের নিজেদের কাগজপত্র উপস্থাপন করবে। সুতরাং সবকিছু ইতিবাচক হওয়ার প্রতীক্ষায় আমি আছি। অনেক ইতিবাচকতা নিয়ে অসাধারণ বৈঠক হয়েছে।”

                            #সমীরণ রায়#

                           ______________

ঢাকা ডেস্ক,২৯ জুলাই।।
      দুই দেশের জনগণের যাতে মঙ্গল হয়, সেভাবেই তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে অগ্রসর হওয়ার আশা দেখালেন ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, এমন কোনো সমস্যা নাই, যেটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে সমাধান করা যাবে না।
বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
বহু বছর ধরে আটকে থাকা তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করলে ভারতীয় দূত বলেন, এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। সৌজন্য সাক্ষাতে দেখা সাক্ষাৎ হয়। দিন শেষে বিষয়টা হল জনগণ থেকে জনগণের, যেটা দুই গণতান্ত্রিক দেশ এবং জনগণের জন্য উপকার হয়, সেটাই।
গঙ্গা চুক্তির নবায়ন প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আজকে এটা বলতে পারি, এটা নিয়ে ওদের একটা ওয়ার্কিং গ্রুপ আছে। ওখানে আমাদের ভারতীয়রাও আছে, বাংলাদেশও আছে। ওয়ার্কিং গ্রুপের নিশ্চয় মেলামেশা হবে। আমি যেভাবে বলেছি, এমন কোনো ইস্যু নেই, যেটা সমাধান করা যাবে না। ওয়ার্কিং গ্রুপ নিশ্চয় সক্রিয়ভাবে তাদের কাজ করে যাবে। দুদেশের জনগণের জন্য যেটা উপকারী, সেটা নিশ্চয় হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরে এ বিষয়ে ইতিবাচক কিছু হওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের নিজেদের কাগজপত্র উপস্থাপন করবে। সুতরাং সবকিছু ইতিবাচক হওয়ার প্রতীক্ষায় আমি আছি। অনেক ইতিবাচকতা নিয়ে অসাধারণ বৈঠক হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। অবশ্য আমাদের দিক আমি বলতে পারি, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এবং আমি নিশ্চিত, অদূর ভবিষ্যতে এটা হবে। আমরা খুবই আশাবাদী এবং আমরা সেই প্রতীক্ষায় আছি।
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা আবার চালু হওয়ার কথা উল্লেখ করে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণের জন্য এটা খুবই সুবিধাজনক। দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমাদের শুধু সীমান্ত নয়, অভিন্ন সংস্কৃতি ও স্বপ্নও রয়েছে। তাই বৈঠকটা খুবই ভালো হয়েছে। উভয় পক্ষের জনগণের জন্য লাভজনক হয়, এমন সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তোলার অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *