দীর্ঘ বছরের পুরনো গাছ হওয়ার কারণে এ বছর বাগানে লিচুর ফলন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম হয়েছে। বাগান রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মী ও স্থানীয় বিক্রেতাদের বক্তব্য, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গাছে লিচুর পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা যাচ্ছে। ফলে বিক্রেতাদের ও বাগান কর্মীদের মধ্যেও হতাশার সুর স্পষ্ট।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৪ মে।।
        গ্রীষ্মকালীন রসালো ফলের মধ্যে অন্যতম লিচু। আর এই লিচুর জন্য প্রতিবছরই রাজ্যের মধ্যে বিশেষ পরিচিতি লাভ করে তেলিয়ামুড়া মহকুমার চাকমাঘাট উত্তর গোকুলনগর এলাকার বিখ্যাত লিচু বাগান। এখানকার সুমিষ্ট ও রসালো লিচুর স্বাদ উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে চলতি বছরে সেই চেনা ছবিতে অনেকটাই ভাটা পড়েছে।
       জানা গিয়েছে,দীর্ঘ বছরের পুরনো গাছ হওয়ার কারণে এ বছর বাগানে লিচুর ফলন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম হয়েছে। বাগান রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মী ও স্থানীয় বিক্রেতাদের বক্তব্য, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গাছে লিচুর পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা যাচ্ছে। ফলে বিক্রেতাদের ও বাগান কর্মীদের মধ্যেও হতাশার সুর স্পষ্ট।
   


উত্তর গোকুলনগরস্থিত লিচু বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ফলন কম হলেও বাজারে লিচুর চাহিদা যথেষ্ট রয়েছে। বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে প্রতি ১০০টি লিচু ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত ফলন না থাকায় বিক্রি করে তেমন লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না তারা।
      বাগান সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরনো গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও নতুন গাছ রোপণের উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে ফলন আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে এলাকাবাসীর পাশাপাশি লিচু ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের মধ্যেও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *