কৈলাসহর ডেস্ক, ১লা আগস্ট।।যুগের পর যুগ,দীর্ঘ ৩০ বছরের লড়াই, আন্দোলন আর প্রত্যাশা—সবকিছুতেই যেন এক লহমায় জল ঢেলে দিল বর্তমান পরিস্থিতি। উনকোটি জেলার কৈলাসহরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন কৈলাসহর বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে তৈরি হলো ঘোর অনিশ্চয়তা। রাজ্য সরকারের তরফে অতীতে যে আশার আলো দেখানো হয়েছিল, পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর তা আবারও প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি কৈলাসহরে এক প্রশাসনিক পর্যালোচনার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী স্পষ্ট জানান, বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে এবং পরিকাঠামোয় বড় বিমান বা এয়ারবাস ওঠানামা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জমি অধিগ্রহণ, যার আনুমানিক খরচ প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন করে গেলেও সেই সংক্রান্ত চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও রাজ্য সরকারের হাতে পৌঁছায়নি।মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্রের ‘ডোনার’ মন্ত্রক থেকে ১৯ আসনের ছোট বিমান চালানোর একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলি সম্পূর্ণ বিষয়টি বাণিজ্যিক লাভ-ক্ষতির দিক থেকে বিবেচনা করছে। অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক না হলে কোনো বেসরকারি সংস্থাই এখানে পরিষেবা দিতে আগ্রহী নয়। তাছাড়া, ১৯ আসনের ছোট বিমান চালাতে গেলেও বর্তমান রানওয়ে ও বিমানবন্দর চত্বরের আমূল সংস্কার প্রয়োজন, যা যথেষ্ট ব্যয়বহুল।এদিকে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে পাওয়া আশ্বাস এবং পরবর্তীতে আধিকারিকদের দফায় দফায় মাপজোখ দেখে আশার বুক বেঁধেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু পরিবহণ মন্ত্রীর এই বক্তব্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উনকোটি জেলা জুড়ে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার নজরে রয়েছে এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তবুও উনকোটিবাসীর প্রশ্ন—আদতে কবে ডানা মেলবে কৈলাসহরের বিমান? নাকি এই স্বপ্ন চিরকাল অধরাই থেকে যাবে?
যুগের পর যুগ,দীর্ঘ ৩০ বছরের লড়াই, আন্দোলন আর প্রত্যাশা—সবকিছুতেই যেন এক লহমায় জল ঢেলে দিল বর্তমান পরিস্থিতি। উনকোটি জেলার কৈলাসহরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন কৈলাসহর বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে তৈরি হলো ঘোর অনিশ্চয়তা। রাজ্য সরকারের তরফে অতীতে যে আশার আলো দেখানো হয়েছিল, পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর তা আবারও প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি কৈলাসহরে এক প্রশাসনিক পর্যালোচনার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী স্পষ্ট জানান, বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে এবং পরিকাঠামোয় বড় বিমান বা এয়ারবাস ওঠানামা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জমি অধিগ্রহণ, যার আনুমানিক খরচ প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন করে গেলেও সেই সংক্রান্ত চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও রাজ্য সরকারের হাতে পৌঁছায়নি।মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্রের ‘ডোনার’ মন্ত্রক থেকে ১৯ আসনের ছোট বিমান চালানোর একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলি সম্পূর্ণ বিষয়টি বাণিজ্যিক লাভ-ক্ষতির দিক থেকে বিবেচনা করছে। অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক না হলে কোনো বেসরকারি সংস্থাই এখানে পরিষেবা দিতে আগ্রহী নয়। তাছাড়া, ১৯ আসনের ছোট বিমান চালাতে গেলেও বর্তমান রানওয়ে ও বিমানবন্দর চত্বরের আমূল সংস্কার প্রয়োজন, যা যথেষ্ট ব্যয়বহুল।এদিকে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে পাওয়া আশ্বাস এবং পরবর্তীতে আধিকারিকদের দফায় দফায় মাপজোখ দেখে আশার বুক বেঁধেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু পরিবহণ মন্ত্রীর এই বক্তব্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উনকোটি জেলা জুড়ে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার নজরে রয়েছে এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তবুও উনকোটিবাসীর প্রশ্ন—আদতে কবে ডানা মেলবে কৈলাসহরের বিমান? নাকি এই স্বপ্ন চিরকাল অধরাই থেকে যাবে?

