ডেস্ক রিপোর্টার , ৮ জুলাই।।
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামানায় দিল্লি – ঢাকার সম্পর্ক অনেকটাই শিথিল হয়েছে। দুই দেশ চাইছে নিজেদের মধ্যে ভাঙ্গা সম্পর্ককে আরো জোরালো করতে। এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসতে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বহু কূটনৈতিক সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্তারা ভারত ভারত সফরে আসছেন। বুধবার রাজ্যে এলেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ। তিনি রেলে করে দিল্লি থেকে আগরতলায় এসেছেন।
রেল স্টেশনে তাকে স্বাগত জানান রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিকরা। সঙ্গে অবশ্যই ছিলেন আগরতলার বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনার। বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ আগরতলা রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে জানান, ” বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক। ওপারে ভালো আছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন।
ভারতের প্রান্তিক রাজ্য ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের একটা নাড়ির টান রয়েছে। অতীতে মেঘনা নদীর পূর্ব পাড় পর্যন্ত ছিলো ত্রিপুরার রাজাদের অধীনে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের ত্রিপুরার ভূমিকা আজও জ্বল জ্বল করছে। ত্রিপুরা ব্যতীত বাংলাদেশে স্বাধীনতা কখনও কল্পনা করা যায় না। ওপারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় ভারত – বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিলো সর্বোচ্চ পর্যায়ে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা প্রয়াত খালেদা জিয়ার জামানাতেই ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক নেহাত খারাপ ছিল না। কিন্তু ওপারের আন্তর্জাতিক সুদখোর মহাজন মোহাম্মদ ইউনূসের জামানায় ভারত – বাংলাদেশের সম্পর্ক ঠেকেছিল তলানিতে। এই সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে সচেষ্ট দিল্লি – ঢাকার দণ্ডমুণ্ডের কর্তারা। দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেই রাজ্যে এসেছেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ।

