বিশালগড়ের বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী এই সাবধানী বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেবকে উদ্দেশ্য করেই। বিশালগড়ের মহিলা এসডিএম বিঙ্কি সাহাকে তাঁর অফিসে ঢুকে বিধায়কের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নাক কাটা গিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের। আর তাতে রাজ্যের টিসিএস অফিসারদের কাছে মাথা হেড হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। আর তাতেই চটে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা নিজেও।

ডেস্ক রিপোর্টার , ৭ জুলাই ।।
       ৮০ ও ৯০ – র দশকে বিশালগড় মহকুমা ছিলো রক্তস্নাত। বিশালগড়ে খুন হয়েছেন দুইজন
বিধায়ক গৌতম দত্ত ও পরিমল সাহা। বোমাবাজি ও অস্ত্রের ঝঞ্ঝনি ছিল বিশালগড় মহকুমার অন্যতম ঐতিহ্য। মাঝে ১৯৯৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত,  দীর্ঘ বাম জমানায় বিশালগড়ে ফিরে এসেছিল স্থিতাবস্থা। নিম্নমুখী হয়েছিল অপরাধের গ্রাফ।
১৮- র ৩ রা মার্চ বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় আসতেই পাল্টে যায় বিশালগড়ের রাজনৈতিক অপরাধের সিনারিও। বর্তমান সময়ে বিশালগড়ের পরিস্থিতি আরও অবনতি হয় এবং  অপরাধের গ্রাফ ক্রমশ হচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী। প্রকাশ্যে গুলাগুলি, মারধর, হুমকি – হুজ্জুতি সহ রক্ত ছিটানোর খেলায় মত্ত বিশালগড়ের রাজনৈতিক মাতব্বররা। সর্বশেষ দৃষ্টান্ত রণবীর দেবনাথ। মেধাবী ছাত্র থেকে সমাজদ্রোহী হিসাবে রণবীর দেবনাথের উত্তরণের পেছনে কারা? এই তথ্য ওপেন সিক্রেট গোটা বিশালগড়ের মানুষের কাছে।

বিতর্কিত জমি। এখানেই হবে প্রস্তাবিত সুইমিং পুল।

রণবীর কাণ্ডের রেশ এখনও দৌড়াচ্ছে বিশালগড়ের মানুষের শিরা – উপশিরায়। ঠিক এই সময়েই খোদ বিশালগড়ে বিধায়ক সুশান্ত দেবের বিরুদ্ধে উঠলো মস্ত বড় অপরাধের অভিযোগ। বিশালগড় অফিসটিলাতে এমপি ফান্ড থেকে সুইমিং পুল নির্মাণ কেন্দ্র করে বিধায়কের ঝামেলা শুরু হয় মহকুমা শাসক বিঙ্কি সাহার সঙ্গে। অভিযোগ, বিধায়ক সুশান্ত দেব মহকুমা শাসককে তার রুমে ঢুকে হুমকি দিয়েছেন। এরপর মহকুমা শাসক ডিএম ও পুলিশ সুপারের কাছে মামলা করেন।

মহকুমা শাসকের ইনকুইয়েরি রিপোর্ট।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশালগড়ের আইনশৃঙ্খলা অবনতি সংক্রান্ত ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সাবধানে বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেছেন, “আইন,আইনের পথেই চলবে। কাউকে ছাড়া হবে না। অপরাধ সংক্রান্ত ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নেই।”
     বিশালগড়ের বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী এই সাবধানী বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেবকে উদ্দেশ্য করেই। বিশালগড়ের মহিলা এসডিএম বিঙ্কি সাহাকে তাঁর অফিসে ঢুকে বিধায়কের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নাক কাটা গিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের। আর তাতে রাজ্যের টিসিএস অফিসারদের কাছে মাথা হেড হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। আর তাতেই চটে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা নিজেও।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *